তবে কি গুঞ্জনটাই সত্যি হতে চলেছে? আর যদি সত্যিই হয় তবে বার্সেলোনার জার্সি গায়ে গতকালই শেষ ম্যাচ খেলেছেন পেড্রো রদ্রিগেজ। ইউয়েফা সুপার কাপে অতিরিক্ত সময়ে তার গোলেই জয় পায় বার্সা।
স্পেন জাতীয় দলের ফরোয়ার্ড পেড্রো বার্সার হয়ে ৩১৯টি ম্যাচে গোল করেছেন ৯৯টি। জিতেছেন ৫টি লা লিগা ও তিনটি চ্যাম্পিয়ন লিগ। গত মৌসুমে ৫০টি গোলে সহায়তা করেছে দলকে।
২০১১ সালের চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডর বিপক্ষে করেছিলেন একটি গোল।
পেড্রোর অভিযোগ নিয়মিত একাদশে সুযোগ না পাওয়া। তিনি সুপার কাপের ফাইনালের একাদশেও ছিলেন।
পেড্রো জানান, আমি ফিট থাকার পরও কোচ খেলাননি। আমি টাকার জন্য খেলি না, আমি দলে সম্মান নিয়ে নিয়মিত খেলেতে চাই। বার্সা আমি কখনোই ছাড়তে চাই না, তবে এমন পরিস্থিতে আমার ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবতে হবে। আমি ডাগ আউটে বসে থাকতে চাই না।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যাওয়া প্রসঙ্গে পেড্রো জানান, ওদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, সব কিছু ঠিক থাকলে আমার যেতে আপত্তি নেই। আমি ম্যানইউতে নিজের সেরাটাই দিব। এদিকে পেড্রো বার্সা ছেড়ে ম্যানইউতে যাওয়ার জন্য উর্ধ্বতন বোর্ড কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেছেন।
স্প্যানিশ টেলিভিশন টিভি থ্রি কে দেওয়া সাক্ষাতকারে বার্সার টেকনিক্যাল সচিব রবার্ট ফানান্দেজ জানিয়েছেন, ম্যানইউ পেড্রোকে কিনতে ২২ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে চায়, কিন্তু আমরা পেড্রোকে ৩০ মিলিয়ন ইউরোর নীচে ছাড়ছি না। এটা পরিস্কার।
তবে ইউয়েফা সুপার কাপে জয়সূচক গোলের পরও পেড্রো মিডিয়াকে জানায়, আমি বার্সার বড় ভক্ত । আমাকে যদি নিয়মিত খেলার সুযোগ দেয়া হয় তাহলে আমি থাকব। আজকের মতো যদি সবসময় ঘটতে থাকে তাহলে আমার বিকল্প চিন্তা করতে হবে। ট্রান্সফার নেগোসিয়েশন নিয়ে সমস্যা হলে আমাকে এক প্রকার ক্ষোভ নিয়েই এখান থেকে যেতে হবে।
বার্সার আক্রমণে মেসি নেইমারের সঙ্গে গত মৌসুম থেকে সুয়ারেস যোগ হওয়ার পরই দলে অনিয়মিত হতে থাকেন পেড্রো। তবে ইউয়েফা সুপার কাপের ফাইনালে গলা ব্যথার জন্য দলে ছিলেন না নেইমার। পেড্রোও আশায় ছিলেন প্রথম একাদশে থাকায়। কিন্তু বার্সা কোচ লুইস এনরিকে তার জায়গায় দলে রাখেন রাফিনহাকে। পেড্রোকে মাঠে নামতে কোচ সুযোগ দেয় অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচের ১১৫ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করে কোচকে নিশ্চিত এক বার্তা পৌছে দিয়েছেন পেড্রো।
এখন সব নির্ভর করছে বার্সা ম্যানেজমেন্ট আর কোচের ওপর… পেড্রোকে নিয়ে এই চালাচালি কতদিন আর চলবে।






