ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের ফলে বিশ্বে খাদ্য ও সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ আটকে যাওয়ার কারণে খাদ্য ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের দাম অনেকাংশে বেড়েছে। এর ফলে বিশ্বে ক্ষুধা বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রবল হয়েছে।
বিবিসি’র অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মাস থেকে বিশ্বে গমের দাম ২১ শতাংশ, বার্লি ৩৩ শতাংশ এবং কিছু সারের দাম ৪০ শতাংশ বেড়েছে। মহামারী এবং চীনের কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ গমের উৎপাদনের কারণে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে কর্মকর্তারা সতর্ক করছেন। চলতি মাসের শুরুতে জাতিসংঘ জানায় বিশ্বব্যাপী খাদ্য বাজারে যুদ্ধের প্রভাব অতিরিক্ত ৭ দশমিক ৬ মিলিয়ন থেকে ১৩ দশমিক ১ মিলিয়ন মানুষ ক্ষুধার্ত হতে পারে।
গত পাঁচ বছরে বিশ্বে গম এবং বার্লি রপ্তানির প্রায় এক তৃতীয়াংশ উৎপাদনকারী দেশ রাশিয়া এবং ইউক্রেন। এছাড়াও ভুট্টার ১৭ শতাংশ এবং এর সূর্যমুখী বীজের তেলের ৭৫ শতাংশ, বিশ্বের কিছু অংশে একটি গুরুত্বপূর্ণ রান্নার তেল অন্যতম উৎস দেশ দুটি। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ইউক্রেনে পরের বছরের জন্য ফসল রোপণ করতে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রে মুদি পণ্যের দাম এক বছরের আগের তুলনায় ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে, যা ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি বলে বিবেচনা করা হচ্ছে। উচ্চমূ্ল্যের কারণে ব্রাজিল থেকে টেক্সাস পর্যন্ত কৃষকরা সার ব্যবহার কমিয়ে দিয়েছে ফসলের আকারকে হুমকির মুখে ফেলছে, ফসল উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে।







