বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আইসল্যান্ডের সঙ্গে ড্র করার পর ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের দলে ব্যাপক ওলট-পালট করতে চান আর্জেন্টিনা কোচ হোর্হে সাম্পাওলি। এই ম্যাচে কৌশলেও কিছু পরিবর্তন আনতে পারেন মেসি-আগুয়েরোদের বস।
হতাশার ড্র’র পর সোমবার অনুশীলনে ‘একটি ভিন্ন কৌশলে’ চেষ্টা করেছেন সাম্পাওলি। বৃহস্পতিবার এই নতুন কৌশল নিয়েই হয়ত মাঠে নামবে আর্জেন্টাইনরা।
অনুশীলনে তিন ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও গ্যাব্রিয়েল মের্কাদোকে দিয়ে রক্ষণ টেস্ট করেন সাম্পাওলি। মার্কোস রোহোর জায়গায় নেয়া হয় মের্কাদোকে। আইসল্যান্ড ম্যাচে দুর্বল পারফরম্যান্স ছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকার।
অনুশীলনে আর্জেন্টাইন দলে অন্য পরিবর্তনগুলোর মধ্য উল্লেখযোগ্য ছিল মিডফিল্ডে। এখানে কোচ বাদ দিয়েছেন লুকাস বিগলিয়া ও অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়াকে। এ দুজনই প্রথম ম্যাচে নজর কাড়তে ব্যর্থ হন। লেফট উইংয়ে বিগলিয়ার জায়গায় মার্কোস আকুনাকে নেন সাম্পাওলি।
ক্রোয়েশিয়া ম্যাচে হাভিয়ের মাশ্চেরানো থাকছেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবেই। তার উইং হিসেবে থাকবেন এদুয়ার্দো সালভিও।
অনুশীলনের পর সংবাদ সম্মেলনে মেকার্দো বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ভিন্ন একটা কৌশল নিয়ে কাজ করছি। উইং, মিডফিল্ডসহ পাঁচটি দিক নিয়ে পরিকল্পনা চলেছে।’
সাম্পাওলির নয়া কৌশলের অংশ হিসেবে ডি মারিয়াকে নিজের জায়গা ছেড়ে দিতে হবে ক্রিস্টিয়ান পাভনের জন্য। আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে বদলি নেমে মাত্র ২০ মিনিটেই কোচের মন কেড়ে নিয়েছেন তিনি।
’আমি মনে করি, হোর্হে(সাম্পাওলি) সব পজিসনই খেয়াল করছেন। দেখি ম্যাচের দিনে কি ঘটে। আমি আত্মবিশ্বাসী, ভাগ্যক্রমে আমার জন্য ভালো কিছুই আসতে যাচ্ছে। তবে আমি এখনও জানি না, শুরুর একাদশে থাকব কি না।’
২০১৪ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার রানার্সআপ দলের যে আটজন খেলোয়াড় এবারের দলে রয়েছেন, তাদের মধ্য অন্যতম রোহো, বিগলিয়া এবং ডি মারিয়া। ২০১৫ ও ২০১৬ কোপা আমেরিকার ফাইনাল দলেরও গুরুত্বপূর্ণ সদস্য তারা।
সাম্পাওলির অধীনে এখনও পর্যন্ত যে ১২টি ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা, এর একটিতেও একই দল নামাননি তিনি।








