অ্যাশেজে সিরিজ হেরে হতাশার এক বছর পার করল ইংলিশরা। বক্সিং-ডে টেস্টে পাঁচ ব্যাটার কোনো রান না করে ফিরলে ১৯৯৮ সালের সর্বাধিক শূন্য রানের রেকর্ড ধরে ফেলে জো রুট বাহিনী। এক পঞ্জিকাবর্ষে নিজেদের সর্বাধিক ৫৪ বার শূন্য রানের লজ্জার রেকর্ড নতুন করে লিখেছে ইংলিশরা।
গত জানুয়ারিতে প্রথম টেস্টের প্রথম বলেই স্যাম কারেন ফিরে গেলে জুজু তৈরি হয়। সেটি বছরজুড়ে ভুগিয়েছে রুটদের। এরপর লর্ডস টেস্টে ভারতের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে চার ইংলিশ ব্যাটার শূন্য রানে ফিরলে তালিকা বড় হতে থাকে।
একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে আহমেদাবাদ টেস্টে ৮১ রানে অলআউটের দিনে। ট্রেন্ট ব্রিজেও মুখ থুবড়ে পড়ে ব্রিটিশরা। এরপর কেবল শূন্যের তালিকা বড়ই হয়েছে।
১৯৯৮ সালের ইংল্যান্ড দলে সর্বাধিক পাঁচবার শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন মাইক আথারটন, মার্ক বুচার এবং মুল্লালি। চারবার কোনো রান না করে ফেরেন ক্যাডিক। তিনবার নাসের হুসেইন, গ্রাহাম থর্প, গ্রায়েম হিক, জ্যাক রাসেল এবং টুফনেল। এছাড়া ডজন খানেক ব্যাটার ফিরেছিলেন ১ বার করে শূন্য হাঁকিয়ে।
১৯৯৮-এর পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছে উত্তরসূরিরা। যেখানে সর্বাধিক ছয়বার কোনো রান না করেই ফিরেছেন ওপেনার বার্নস। পাঁচবার শূন্যের স্বাদ নিয়েছেন রবিনসন। চারবার করে শূন্য আছে হাসিব হামিদ, জনি বেয়ারস্টো, ড্যান লরেন্স ও জেমস অ্যান্ডারসনের। বাকিরাও অন্তত একবার করে শূন্যের স্বাদ নিয়েছেন। চলতি বছর শূন্য করেননি এমন ব্যাটার নেই ইংলিশদের।
রেকর্ড ঘেটে দেখা যাচ্ছে টেস্ট খেলুড়ে দেশের মধ্যে এক পঞ্জিকাবর্ষে সাউথ আফ্রিকার আছে ২৯ বার শূন্য করার রেকর্ড। পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের আছে ৩০ বার করে। তবে ২০০০ সালে সর্বাধিক ৪৪ বার শূন্য করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ানরা। ১৯৯৯-এ অস্ট্রেলিয়া সর্বাধিক ৩৯ বার। ২০১৮ সালে ভারত করেছিল ৩৯ বার।







