দাবি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এ আন্দোলনে গ্রেপ্তার শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের মুক্তি চেয়েছেন ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’র আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।
সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে সরকারের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি বলেন, আমরা আমাদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে গভীর কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কারণ আমাদের দাবি বিষয়ে তিনি জনপ্রশাসন সচিবকে নির্দেশনা দিয়েছেন।
‘আমাদের বলা হয়েছে, আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে এ কোটা পদ্ধতির একটি যৌক্তিক সংস্কার করে ছাত্রদেরকে জানিয়ে দেয়া হবে। এজন্য আমরা আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এ আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করছি।’
আন্দোলনে যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের নিঃশর্ত মুক্তি চেয়ে তিনি বলেন, ‘যারা আহত হয়েছেন তাদেরও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে সরকারকে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আন্দোলনকারীদের এ মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা একটি কথা বিশ্বাস করি প্রতিটি যৌক্তিক দাবির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তা পূরণ করার চেষ্টা করেছেন। ছাত্র-সমাজের আস্থা আছে, শেখ হাসিনা এ যৌক্তিক দাবি অবশ্যই মেনে নেবেন।’
রোববার পাঁচ দফা দাবিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাকর্মীরা রাজধানীর শাহবাগে পূর্ব ঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা।
রাতভর সংঘর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের তাণ্ডব।
এরপর সোমবার তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
বিকালে সচিবালয়ে ওই প্রতিনিধি দলের আলোচনা শুরু হয় কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের একটি প্রতিনিধি দলের।
সরকারের প্রতিনিধি দলে ছিলেন আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, এনামুল হক শামীম, তথ্য ও গবেষণা সম্পদক আফজাল হোসেন, সংস্কৃতি সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া এবং সদস্য এস এম কামাল হোসেন।
আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি হিসেবে ছিলেন, ২০ জন নেতা।








