কোটা সংস্কার আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের আয়োজনে ‘আজকের নাগরিক সমাজ’ ৭টি দাবি পেশ করেছেন।
উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজের পক্ষে অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ূম এসব দাবি পেশ করেন।
তাদের দাবিসমূহ হলো-
১. অবিলম্বে আমাদের সন্তানদের উপর সরকার ও রাষ্ট্রের প্রশ্রয়ে, নির্দেশে বা অনুমোদনে যে হামলা ও নির্যাতন পরিচালিত হচ্ছে, তা যে মহল থেকেই করা হোক, তার বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হোক।
২. যাদের নামে মিথ্যে মামলা দেওয়া হয়েছে ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেসব মামলা প্রত্যাহার করে তাদের শীঘ্রই মুক্তি দেওয়া হোক এবং যাদেরকে তুলে নেওয়া হয়েছে ও যারা নিখোঁজ রয়েছে তাদের অবিলম্বে তাদের অভিভাবকদের কাছে ফেরত দেওয়া হোক।
৩. আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পরিবার ও অভিভাবকের উপর যারা হামলা করেছে, হুমকি দিয়েছে এবং হয়রানি করেছে সেগুলোর তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি দেওয়া হোক।
৪. আহতদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।
৫. হল-হোস্টেল-ক্যাম্পাসে যে দলীয় সন্ত্রাস ও ভীতির রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে তার চিরতরে অবসান ঘটানো হোক।
৬. আন্দোলনকারীদের দাবী এবং প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার অনুযায়ী কোটা ব্যবস্থার ন্যায্য সংস্কার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করা হোক।
৭. আমাদের সন্তানের শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত ভিসি, প্রোভিসি, প্রক্টরসহ অন্যরা, যাদের বেতনকড়ি, গাড়ি-বাড়ির সুবিধা আমরা আমাদের ট্যাক্সের টাকায় দিয়ে থাকি তাদের দায়িত্বে অবহেলার বিচারবিভাগীয় তদন্ত করা হোক এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়া হোক। আমাদের সন্তানদের স্বাভাবিক শিক্ষাজীবন ফিরিয়ে দেয়া হোক।







