পবিত্র রমজান মাস এবং সেশনজটের কথা বিবেচনা করে পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে কোটা আন্দোলনকারীরা। তবে প্রজ্ঞাপন না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জন কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছেন তারা।
শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা।
পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন বলেন: সারা দেশে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করা হচ্ছে। আমরা সরকারের কাছে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার দাবি করছি।
মামুন আরও বলেন: সুফিয়া কামাল হলে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনার কারণ দর্শানোর নামে সাধারণ ও নিরাপরাধ শিক্ষার্থীদের হয়রানি না করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করছি।
যুগ্ম আহ্বায়ক নূরুল হক নূর বলেন: কবি সুফিয়া কামাল হলে গত ৮ এপ্রিল রাতে ছাত্রলীগের নেত্রী এশাকে বহিষ্কারের ঘটনা যাচাই-বাছাই না করে, তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে৷ সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রক্টর সংবাদ মাধ্যমেও বলেছে যে এশা দোষী প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে৷ কিন্তু পরে ভিসি আবার এ ঘটনা সম্পর্কে ভিন্ন কথা বলেছেন৷ মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং প্রক্টরই হল গুজবের মহানায়ক৷
আরেক যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন: কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা অংশগ্রহণ করেছে, তাদের উপর নানারকমের হুমকি আসছে, গত ১৭মে রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম রায়হানকে ছাত্রলীগ নেতারা শিবির ট্যাগ দিয়ে মারধর করে হল থেকে বের করে দিয়েছে৷ আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই৷







