মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বিষয়ক বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছিল একটি মানবাধিকার সংস্থা। ওই সংস্থাটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছিল। তবে অলিম্পিক বিধিমালা লঙ্ঘনের এমন অভিযোগের বিষয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি কোনো তদন্ত করবে না।
আইওসির নৈতিকতা বিষয়ক কমিশনের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘ফেয়ারস্কোয়ার’ এর অভিযোগটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে। কমিশন লক্ষ্য করেছে যে, অলিম্পিক সনদের বিধান অনুযায়ী প্রতিটি আন্তর্জাতিক ফেডারেশন তাদের নিজস্ব পরিচালন ব্যবস্থায় স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন বজায় রাখে। আন্তর্জাতিক ফেডারেশন এবং তাদের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে আইওসির নীতি-নৈতিকতা বিধিমালার প্রয়োগের পরিধি সুনির্দিষ্টভাবে কেবল আইওসি-র সাথে তাদের সম্পর্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।’
‘আইওসি’র নীতি কমিশন উল্লেখ করেছে যে, ফিফা সভাপতির বিষয়টিসহ বর্তমান অভিযোগটি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের শাসন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, যার মধ্যে সরকারের সাথে এর সম্পর্কও অন্তর্ভুক্ত। আইএফ কর্তৃক তার খেলার নিয়মকানুন বাস্তবায়নের সাথে সম্পর্কিত, যা উভয়ই আইওসির নীতিশাস্ত্র সংহিতার প্রয়োগের আওতার বাইরে।’
‘ফলে, অভিযোগটি আইওসির নীতি কমিশনের এখতিয়ারের বাইরে পড়ে। সেই অনুযায়ী ফেয়ারস্কয়ারকে জানানো হয়েছে।’
‘এই অভিযোগ থেকে আলাদাভাবে সাম্প্রতিক আইওসি অধিবেশনে যেমনটি পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে, আইওসি অলিম্পিক আন্দোলন জুড়ে সুশাসনকে শক্তিশালী করতে এবং এর অন্তর্ভুক্ত সংস্থাগুলোর নিজ নিজ ভূমিকা, দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা সম্পর্কে আরও স্বচ্ছতা আনতে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।’
ওই অভিযোগে এমন চারটি ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল যেখানে ইনফান্তিনো, ট্রাম্পের কর্মকাণ্ড ও নীতির প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলে ফেয়ারস্কোয়ার দাবি করেছিল।

