সরকারি চাকরির কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে কর্মপন্থা নির্ধারণ ছাড়াও দেশ-বিদেশের কোটা বিষয়ক প্রতিবেদন সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবুল কাশেম মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, যত দ্রুত সম্ভব প্রতিবেদন সংগ্রহ করে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় বৈঠকে বসবে কমিটি। সরকারের বেঁধে দেয়া ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করবেন তারা।
রোববার সকাল ১১টায় সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রীপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।
কোটা ব্যবস্থা পর্যালোচনা কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব, সরকারি কর্ম কমিশনের সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব।
দীর্ঘ কয়েকমাস ধরে কোটা সংস্কারের দাবিতে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’র ব্যানারে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনের মুখে গত এপ্রিলে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। তবে এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন না হওয়ায় আবারো মাঠে নামেন শিক্ষার্থীরা।
গত ৮ এপ্রিল ঢাকার শাহবাগে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ লাঠিপেটা করলে এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল ছুড়ে মারলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ঘটনার পরদিন এই আন্দোলন সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ভবনে ব্যাপক হামলার ঘটনাও ঘটে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। নতুন করে আন্দোলন দানা বাঁধার প্রেক্ষাপটে সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে গত ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে প্রধান করে সাত সদস্যের কমিটি করে সরকার।









