দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টির (এএপি) জয় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। সর্বশেষ ভোটগণনায় রাজ্যের ৭০টি আসনের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে দলটি।
প্রথম থেকেই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী থাকলেও মঙ্গলবার ভোটগণনা শুরু হওয়ার পর যখন প্রাথমিক ফলাফল আসতে শুরু করে, তা দেখে দলের সদস্য-সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় আরও।
এ পর্যন্ত যা অবস্থা, তাতে মনে করা হচ্ছে তৃতীয় মেয়াদে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
সম্ভাব্য জয়ের আনন্দে সকাল থেকেই দলের কার্যালয়ের সামনে ভিড় করতে শুরু করেন এএপি’র নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। বেলা যত বাড়ছে, তত এগোচ্ছে গণনা, আর ততই বাড়ছে তাদের মধ্যে উচ্ছ্বাস।
কিন্তু ওদিকে বিজেপি-কংগ্রেসের মতো ভারী ভারী দল দু’টোর অবস্থা এবার শোচনীয়। আম আদমির তুলনায় সামান্য কিছু আসনে আশার আলো দেখছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি।
কিন্তু কংগ্রেসের কথা বলার মতো মুখ নেই যেন কারও। কারণ ৭০টি আসনের মধ্যে একটিতেও এগোতে পারেনি দলটি। সব গণমাধ্যমে ভোটগণনায় এগিয়ে থাকার তালিকায় এএপি’র ঘরে ৫৭ আর বিজেপির ঘরে ১৩ লেখা থাকলেও কংগ্রেসের ঘরে ঝুলছে জোড়া গোল্লা। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত একটি আসনেও এগিয়ে থাকার খবর পাওয়া যায়নি দলটির।
সব মিলিয়ে বিজেপি-কংগ্রেস দুই দলের ঘরেই অন্ধকার থাকলেও কংগ্রেস নিজেকে সান্ত্বনার বাণী শোনাচ্ছে। বলছে, নিজে হারুক, সঙ্গে বিজেপিও যে হারছে, তাতেই আপাতত খুশি দলটি।
দিল্লির তিনটি প্রধান দল: আম আদমি পার্টি, বিজেপি এবং কংগ্রেসসহ অন্যান্য প্রার্থীদের জোরদার প্রচারণা শেষে গত ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। এএপি’কে ছাড়িয়ে আরও জমকালো নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়েছিল বিজেপি। এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকেও দেখা গিয়েছিল দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোটারদের কাছে দলের পক্ষে ভোট চাইতে।







