বাংলাদেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের সফল রূপকার, এলজিইডির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান প্রকৌশলী মুক্তিযোদ্ধা কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের আজ সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, যাতায়াত ব্যবস্থাসহ গ্রামীণ উন্নয়নে কামরুল ইসলাম সিদ্দিক আজও অনুকরণীয়।
অনুষ্ঠানে কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা দেওয়া হয়েছে কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজকে।
মঙ্গলবার কিউআইএস মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে অগ্রজদের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে কৃষি তথা উন্নয়ন সাংবাদিকতার মধ্য দিয়ে গ্রামীণ জনগণের জীবন মান উন্নয়নে অসমান্য অবদানের জন্য কৃষি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
শাইখ সিরাজ বলেন, ৫০ বছরের ব্যবধানে যদি আমরা খাদ্য স্বয়ম্ভরতার ইস্যুটা দেখি আবার একটা সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছি। এই রকম আবার কিছু ভিশনারী মানুষ দরকার; যারা আবার পরবর্তী ৫০ বছরকে এগিয়ে নেবে। শুধুমাত্র স্বপ্ন দেখলে হয় না স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে হয়। সে রকম মানুষ ছিলেন কামরুল ইসলাম।
তিনি আরো বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো বাজার সংরক্ষণাগার এগুলোর সবকিছুর সাথে ওনার একটা সর্ম্পক ছিল, ওনার নিজস্ব হাতে, নিজস্ব ভিশনে এবং নিজস্ব চিন্তার ফসল এগুলো। যেগুলো দিয়ে আজকের বাংলাদেশ এ জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, উনি (কামরুল ইসলাম সিদ্দিক) একজন চেঞ্জ মেকার।
বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম বলেন, তার নানা রকম দিক ছিলো বৈচিত্রময় দিক ছিলো। তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার ছিলো তিনি অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করতেন না।
স্থপতি ইকবাল হাবিব বলেন, কোনো বিষয় সর্ম্পকে যে উনি জানেন না এটা স্বীকার করা এবং সেই বিষয়ে গভীর মনোযোগে যারা এই আগ্রহ ওনার মৃত্যর শেষ দিন পর্যন্ত শেষ হয় নাই।
অনুষ্ঠানে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করায় কালের কন্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার ফখরে আলমকেও সম্মাননা জানিয়েছে কামরুল ইসলাম সিদ্দিকি মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন।






