ভারি বর্ষণ ও নদ-নদীর পানি বাড়ার কারণে কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। কয়েকটি স্থানে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে রাস্তাঘাট ভেঙে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দু’শ’র বেশি চর ও দ্বীপচরের দেড় লাখের বেশি মানুষ।
খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটদেখা দিয়েছে। রাস্তা-ঘাট তলিয়ে থাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
নদীভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার অশ্বাস দিয়েছেন কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাহ্ফুজুর রহমান।
লালমনিরহাটের কুলাঘাট, রাজপুর ও খুনিয়াগাছ ইউপির ১৬টি চর গ্রাম, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের গোবর্ধন, আরজী ছালাপাক, চন্ডিমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী এবং তুষভান্ডার ইউনিয়নের ২১টি চর গ্রামের মানুষ বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। তাদের অভিযোগ, এখন পর্যন্ত তারা কোনো ত্রাণসামগ্রী পাননি।
দ্রুতই ত্রাণ সামগ্রী পঠিয়ে সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীনুর আলম।
আর ত্রাণ সহযোগিতার চেয়ে দ্রুত নদীভাঙন কমাতে ব্যবস্থা নেয়ায় দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।







