কুমিল্লা সিটি নির্বাচনকে ঘিরে মাঠে আছেন একাধিক প্রার্থী। একদিকে সদরের এমপি বাহাউদ্দিন বাহার তার প্রার্থী রিফাতের হাতে নৌকা তুলে দিতে সর্বোচ্চ লবিং করছেন। আর নিজ কন্যাকে নৌকা তুলে দিতে মরিয়া আরেক আওয়ামী লীগ নেতা আফজল খান। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়ে স্বস্তিতে আছেন মনিরুল হক সাক্কু। আজই তার মনোনয়নপত্র কেনার কথা রয়েছে।
গোমতী নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা সীমান্ত শহর কুমিল্লা। ইতিহাস আর ঐতিহ্যভরা রাজনীতি সচেতন এই শহরে দলীয় প্রতীকে কুমিল্লা সিটি নির্বাচনকে ঘিরে চলছে রাজনীতির উত্তাপ। ৩০ মার্চের সিটি নির্বাচনে কার ভাগ্যে দলের প্রতীক জুটবে সেই লড়াইয়ে বিজয়ী হতে শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত কেন্দ্রের নীতি নির্ধারকদের মন জয় করতে ব্যস্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
এবার কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এক হেভিওয়েট প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। তাকে ছাত্রনেতা এবং ঠিকাদার ব্যবসায়ী হিসেবে সবাই চিনলেও সবচে বড় পরিচয় কুমিল্লা সদরের এমপি বাহাউদ্দিন বাহারের ছায়াসঙ্গী হিসেবে। এমপি’র বলে বলিয়ান হয়েই তিনি নৌকা প্রতীক পেতে চান। প্রতীক পেলে কুমিল্লা আওয়ামী লীগে চলমান দ্বন্দ্ব দূর করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাঠে নামার প্রতিশ্রুতি তার।

অন্যদিকে কুমিল্লার আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক এমপি আফজল খানের মেয়ে আনজুম সুলতানা সীমাও চাইছেন নৌকা প্রতীক। নিজেকে তৃণমূল রাজনীতির পরীক্ষিত মানুষ মনে করে তার প্রত্যাশা, প্রার্থী নির্বাচনে সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী ভুল করবেন না।
তবে প্রতীকের লড়াইয়ে বিএনপির অবস্থান স্বস্তিকর। যদিও ধানের শীষ পাবার আশায় মাঠে আছেন বিএনপি’র সাবেক এমপি মনিরুল ইসলাম চৌধুরী। বলেছেন, দল তাকে প্রতীক না দিয়ে সাক্কুকে দিলে তিনি বিপক্ষে অবস্থান নেবেন।

তবে জেল-জরিমানা ছাড়াই বিএনপি নেতা কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করা সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলছেন যে যেখানেই থাকুক না কেন এবারও ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই বিজয়ী হবেন তিনি। জনতার ওপরই তার ভরসা।
কুমিল্লা সিটি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে সম্ভাব্য সব প্রার্থীই আশাবাদী।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও রিপোর্টে…
https://www.youtube.com/watch?v=xpW7_e5Tsp4&feature=youtu.be







