শুক্রবার দিবাগত রাতে কুমিল্লা, সাতক্ষীরা ও বরগুনায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, কুমিল্লায় নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী, সাতক্ষীরা ও বরগুনায় নিহত দুইজন ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল।
কুমিল্লা
কুমিল্লার কাপ্তানবাজার গোমতি বেরিবাধঁ এলাকায় র্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সহিদুল ইসলাম সবু নামের এক মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযানে অংশ নেয়া র্যাব-১১ কোম্পানি কমান্ডার মেজর আতাউর রহমান জানান, কুমিল্লার মাদক কারবারিদের তালিকাভুক্ত সবুকে আটকের জন্য র্যাব অভিযান চালায় কাপ্তানবাজার গোমতিনদীর বেরিবাধঁ এলাকায়।
‘মাদককারবারিরা র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ও ইট-পাথর নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে র্যাবও আত্মরক্ষায় ১০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গুরুতর আহত সহিদুল ইসলাম সবু (৪৪)কে আটক করে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সহিদুল ইসলাম সবু সদর দক্ষিণ উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী একবালিয়া গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে। ঘটনাস্থল থেকে ফেনসিডিল গাজাঁ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।
সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য ও মোটরসাইকেল চোর সিন্ডিকেটের হোতা রেজাউল ইসলাম বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি ওয়ান শুটারগান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইলিয়াচ হোসেন বলেন, শুক্রবার মধ্য রাতে নুরনগর এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত রেজাউল (৪২) শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের বাদঘাটা গ্রামের মাজেদ দফাদারের ছেলে।
ওসি ইলিয়াস বলেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসে। রেজাউল শ্যামনগর থানা চত্বর থেকে পুলিশের মোটরসাইকেল চুরি মামলা ও উপজেলা সদরের আব্দুল্লাহেল বাকী অপহরণ মামলার প্রধান আসামি। গত তিন মাস যাবত সে আত্মগোপনে ছিল।
জেলা পুলিশের তথ্য কর্মকর্তা বিশেষ শাখার পরিদর্শক আজম খান জানান, রেজাউলের বিরুদ্ধে এক ডজনেরও বেশি মোটরসাইকেল চুরির মামলা রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বরগুনা
ভোরে বরগুনার পাথরঘাটা সংলগ্ন বলেশ্বর নদের মাঝের চরে র্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দস্যু কাজল বাহিনীর প্রধান কাজল নিহত হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।







