চট্টগ্রাম থেকে: পেসারদের জন্য সহায়ক কিছু থাকবে না চট্টগ্রামের উইকেটে, সেটি অনুমিতই ছিল। হোম অ্যাডভানটেজ নিতে স্পিনিং উইকেট চেয়েছিল বাংলাদেশ। মিরপুরে প্রথম টেস্টে সাকিব-মিরাজ-তাইজুলের স্পিনেই ধরাশায়ী হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। চট্টগ্রামেও মনের মতো উইকেট পেয়েছেন তারা। স্বাগতিক দলের এক পেসার নিয়ে নামার সিদ্ধান্ত কতটা সঠিক সেটি প্রমাণ করে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই অজি স্পিনার নাথান লায়নের আক্রমণে আসা ও প্রথম স্পেলেই তামিমকে সাজঘরে পাঠানো।
মিরপুরে দুই পেসার খেলিয়ে কোনো লাভ হয়নি। মোস্তাফিজ, শফিউল দেখা পাননি উইকেটের। দ্বিতীয় ইনিংসে তো তাদের সেভাবে বল করতে হয়নি পেসারদের। মোস্তাফিজ করেছেন কেবল একটা ওভার। অজিদের ১৯ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের স্পিনাররা, একটি রান আউট। চট্টগ্রামে ব্যাটসম্যান বাড়াতে শফিউলকে বাইরে রেখে ফেরানো হয়েছে মুমিনুলকে।
বাংলাদেশ দলে এখন ৮ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ৯ ও ১০ নম্বরে মিরাজ-তাইজুলও ব্যাটিং জানেন। শেষ দিকের ব্যাটসম্যানদের অল্প কিছু রানও চট্টগ্রাম টেস্টে হয়ে উঠতে পারে মহাগুরুত্বপূর্ণ। মিরপুরে প্রথম টেস্টে মিরাজ, শফিউলের ব্যাট বেশ কিছু রান যোগ করায় প্রথম ইনিংসে পার্থক্য গড়তে পেরেছে বাংলাদেশ।
প্রথম দিন থেকেই ব্যাটসম্যানদের সংগ্রাম করতে হতে পারে চট্টগ্রামের উইকেটে। উইকেট মন্থর ও বাউন্স কম থাকায় হেড-ডাউন করে খেলতে হবে স্পিন। অস্ট্রেলিয়া দলেও তিন স্পিনার। যোগ হয়েছে বাঁহাতি স্পিনার স্টিভ ও’কিফ।
ঘাসের ছিটেফোঁটা না থাকায় প্রথম দিন থেকেই ধুলা উড়তে পারে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের তিন নম্বর উইকেটে। এই উইকেটেই হয়েছিল গত বছর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট। ২২ রানে বাংলাদেশ হেরে গেলেও সাকিব-মিরাজ-তাইজুল মিলে কঠিন পরীক্ষায় ফেলেছিলেন ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের। ত্রয়ী মিলে নিয়েছিলেন ১৯ উইকেট। সেই উইকেটের আদলে তৈরি করা হয়েছিল এই মাঠের পাঁচ নম্বর উইকেট। সেটিতে খেলতে আগ্রহ দেখায়নি বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের বিপদে ফেলতে সব আয়োজনই প্রস্তুত। বাংলাদেশের দরকার প্রথম ইনিংসে মিরপুরের মতো ভাল একটি সংগ্রহ।







