বাংলাদেশ স্বাস্থ্যখাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে বলে মত দিয়েছেন স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কাজ করা আর্ন্তজাতিক প্রতিনিধিরা। তবে কিশোরীদের গর্ভধারণ রোধে বাংলাদেশকে আরও জোরালো ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়েছেন তারা।
প্রত্যেক নারী প্রত্যেক শিশুর ভবিষ্যত-এই শ্লোগানকে সামনে নিয়ে ২৬টি দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে ঢাকায় শুরু হয়েছে জনসংখ্যা উন্নয়ন বিষয়ক আর্ন্তজাতিক সম্মেলন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে নারী ও শিশু স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা বলেন, মা ও শিশু স্বাস্থ্যসহ বাল্যবিবাহ রোধে বাংলাদেশের ভূমিকা অন্য দেশের কাছে উদাহরণস্বরূপ।
সম্মেলনে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাট বলেন, মার্কিন সরকার বাংলাদেশী সরকারের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং পুষ্টিবিকাশের উদ্যোগকে সমর্থন করে। এর মধ্যে মাতৃত্ব, নারী এবং শিশুরাও পড়ে।
সব ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেন বাংলাদেশ অটিজম সমন্বয় কমিটির স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান সায়মা ওয়াজেদ হোসেন।
সায়মা ওয়াজেদ হোসেন বলেন, যেখানেই হোক নারী একজন মা, মেয়ে ও বোন। তাদের ভূমিকা অতুলনীয়।
নারী ও শিশু স্বাস্থ্যে উন্নতি সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে সম্মেলনে জানায় বাংলাদেশ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, আমরা নারী ও শিশুকে সঠিক সাপোর্ট দেয়ার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এটা সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
স্পীকার শিরিন শারমীন চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, স্যানিটেশনের দিকে এখন জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবেই অনেকখানি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মা ও শিশু স্বাস্থ্যের উন্নতিতে আর্ন্তজাতিক সংগঠনগুলোর ভূমিকারও প্রশংসা করা হয় সম্মেলনে।







