মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আল বদর কমান্ডার মতিউর রহমান নিজামীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার ক্ষণ গণনা চলছে। কাশিমপুর কারাগার থেকে দুই জল্লাদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে।জামায়াতে ইসলামীর আমির নিজামীর ফাঁসি কার্যকর করতে এখন শুধু রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা এবং সেই অাবেদন বাতিল হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা বাকি।
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া কারো প্রাণভিক্ষার আবেদনই রাষ্ট্রপতি গ্রহণ করেননি।
তবে নিজামী নিজে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন কিনা সে বিষয়েও নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া নিজামীর কাছে এ বিষয়ে জানার জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেটের যাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে যাননি।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া জামায়াতের ইসলামীর আমির মতিউর রহমান নিজামীর রিভিউ আবেদন খারিজ করে আপিল বিভাগ সোমবার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করার পর থেকেই ফাঁসি কার্যকরের প্রাক প্রস্তুতি শুরু হয়।
আপিল বিভাগের রায়ের কপি প্রথমে আসে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। নিজামীকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সেরে ওই আদেশ কেন্দ্রীয় কারাগারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেন।
আপিল বিভাগের ২২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, নৃশংস ও বর্বর হত্যাকাণ্ডের জন্য আসামির একমাত্র সাজা মৃত্যুদণ্ড। এই পরিস্থিতিতে সাজা কমানোর সুযোগ নেই।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম পরে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রায় প্রকাশের মাধ্যমে নিজামীর বিচারের আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলো।
এর আগে বৃহস্পতিবার নিজামীর রিভিউ আবেদন খারিজ করে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আর রোববার রাত ১২টার কিছু আগে পুলিশি পাহারায় একটি এ্যাম্বুলেন্সে করে নিজামীকে কাশিমপুর থেকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়। মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিদের জন্য কারা অভ্যন্তরে নির্ধারিত কনডেম সেলেই রাখা হয় তাকে।







