সম্প্রতি শেষ হয়েছে বিশ্বের প্রাচীন আর জৌলুসময় কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭১তম আসর। আর এই উৎসবেই যেনো কিছু অজান্তে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্য নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলো বাংলাদেশি চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ’ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া (আইএএফএম)’।
কান চলচ্চিত্র উৎসব চলাকালীন ইউনিফ্রান্স ও ফ্রেন্স কালচার যৌথভাবে ‘ইন্টারন্যাশনল স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড’-এর আয়োজন করে। এ বছর ২২টি আন্তর্জাতিক ফিল্ম স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের ফরাসি চলচ্চিত্রকে ভোট প্রদান করার সুযোগ পান। যাদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া (আইএএফএম)’- এর শিক্ষার্থীরাও অংশ নেয়।
১৩ মে সেরা চলচ্চিত্রটির নাম ঘোষণা করেন ইউনিফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট সারজি তৌবিয়ানা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসাবেল গরিদানো (জেনারেল ডিরেক্টর, ইউনিফ্রান্স), সিবলি ভেইল (সিইও রেডিও ফ্রান্স) এবং সানদ্রাইন ট্রেইনির (ডিরেক্টর, ফ্রেঞ্চ কালচার)।
এই অনুষ্ঠান শেষে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কান চলচ্চিত্র উৎসবের অফিশিয়াল পার্টনার ইউনিফ্রান্স পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র এবং ভোট প্রদানকারী স্কুলগুলির তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় স্থান পায় বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া (আইএএফএম), যা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে প্রথম।
ইউএসসি স্কুল অফ সিনেমিটিক আর্ট, ভিজিআইকি (রাশিয়া), গ্রিফিথ ফিল্ম স্কুল (অস্ট্রেলিয়া), টোকিও ইউনিভার্সিটি অফ আর্টস (জাপান), ইউসিএলএ সহ বিশ্বের সব নামীদামি ফিল্ম স্কুলের সাথে যৌথভাবে ইউনিফ্রান্স এই ইন্টারন্যাশনল স্টুডেন্ট অ্যাওয়ার্ড কার্যক্রম এর ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালের অ্যাওয়ার্ড সেশনে বাংলাদেশ থেকে অংশগ্রহণ করে ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া (আইএএফএম) ও এর নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীরা।
কান চলচ্চিত্র উৎসবের মতো বড় প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ থেকে ইন্টারন্যাশনাল একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া (আইএএফএম) -র অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে বিশ্ব চলচ্চিত্র অঙ্গনে যে যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশ, তা ভবিষ্যতে ফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র বোদ্ধারা।








