রোববার শুরু হচ্ছে মোবাইল ফোনের সিম নিবন্ধন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। তবে আপাতত গ্রাহক পর্যায়ে নয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানিয়েছেন, মোবাইল কোম্পানি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে প্রতিটি সিমের বিপরীতে জমা দেয়া পরিচয়পত্র যাচাই করবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই গ্রাহক পর্যায়ে শুরু হবে পুনঃনিবন্ধন। এ বাছাইয়ে অবৈধ সিম আলাদা করা হবে। অবৈধ এসব সিমের গ্রাহকদের ম্যাসেজের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ স্বশরীরে হাজির হয়ে নিবন্ধন করতে বলা হবে।
৩ মাসের মধ্যে ১৩ কোটি সিমের পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে, এমন বক্তব্যে বিভ্রান্তির পর স্বস্তির খবর। এখনই গ্রাহককে নিবন্ধন করতে হবে না।
মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিটিআরসি’র তত্ত্বাবধানে জাতীয় পরিচয়পত্র কর্তৃপক্ষের সহায়তায় প্রত্যেক অপারেটর তাদের সিম কার্ডের গ্রাহক তথ্য যাচাই করবে। ওই বাছাইয়ে ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করে নেয়া সিমকার্ড কিংবা কখনোই পরিচয়পত্র জমা দেননি এমন গ্রাহককে নিবন্ধনের সুযোগ দেয়া হবে।
যাচাই-বাছাই শেষেও যদি অনিবন্ধিত সিম বাজারে থাকে তবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে জরিমানা দিতে হবে বলে সতর্ক করেছেন প্রতিমন্ত্রী।
সারা দেশে গ্রাহক পর্যায়ে সিমকার্ড যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি কঠিন স্বীকার করেছেন প্রতিমন্ত্রী, তবে অসম্ভব নয় বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি।







