জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় কলেজছাত্রী শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তাররা হলো, জেলার পাঁচবিবি উপজেলার মাঝিনা গ্রামের শংকর মহন্তের ছেলে রনি মহন্ত (৩০) ও আয়মাপাড়া গ্রামের খোরশেদ মণ্ডলের ছেলে জাহিদ হাসান ওরফে কামিনি জাহিদ (৩২)।
পুলিশের দাবি, তারা দু’জনই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। তাদেরকে জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার ৬ মে রাতে উপজেলার আটাপুর ইউনিয়নের মাঝিনা গ্রামের মোজাম্মেল হকের মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকা (২০) কে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর শনিবার দিবাগত রাতে ওই এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।
রোববার দুপুরে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা সাংবাদিকদের বলেন, আসামিরা ভিকটিমকে উত্যক্ত করতো ও কুপ্রস্তাব দিত। তাকে ধর্ষণ করার জন্য এক সপ্তাহ যাবৎ সুযোগ খুঁজছিল।
আয়েশার ভাই মোস্তাক তার শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার সুযোগে প্রতিবেশী রনি ও তার সহযোগী জাহিদসহ শুক্রবার রাতে তারা পরিকল্পিতভাবে ওয়াল টপকিয়ে সুযোগ বুঝে রাত দুইটায় ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে আয়েশা বাধা দিলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে গলা চেপে ধরলে তার মৃত্যু হয়। পরে তারা পালিয়ে যায় ।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় পাঁচবিবি থানায় একটি মামলা হয়েছে। সিআইডির টিম বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে, আলামতগুলো পরীক্ষার জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আসামিদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।








