চীন থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়া নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে দেশে একটি সেন্ট্রাল মনিটরিং সেল এবং প্রতিটি জেলায় সে মনিটরিং সেলের শাখা স্থাপন চেয়ে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান হয়েছে।
এই লিগ্যাল নোটিশে নভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনগনের জন্য পর্যাপ্ত মাস্ক ও অন্যান্য দরকারী সামগ্রীর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দরে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
রোববার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব স্বাস্থ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, বিমান সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আইসিডিডিআরবির পরিচালক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বরাবর এই নোটিশ পাঠিয়েছেন।
এই নোটিশ পাবার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে এবিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যাথায় এনিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে জানান নোটিশ প্রদানকারী আইনজীবী।
জ্বর-সর্দি, শুকনো কাশি, মাথাব্যথা-গলাব্যথা ও শ্বাসকষ্টের উপসর্গ নিয়ে শুরু হওয়া প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস সাধারণ ফ্লুর মত হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়ায় মানুষ থেকে মানুষে। তবে বেশিরভাগ রোগী সেরে উঠলেও ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্র বা ফুসফুসের পুরোনো রোগীদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস ডেকে আনতে পারে মৃত্যু।
এদিকে এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গত ৩১ জানুয়ারি বৈশ্বিক সতর্কতা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এছাড়া বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের চীন থেকে সরিয়ে নিয়ে কোয়ারেন্টিন করে রাখে। তবে ডব্লিউএইচও বলছে পরিস্থিতি এখনো ‘মহামারী’ ঘোষণার পর্যায়ে যায়নি।
তবে এই ভাইরাসে আক্রান্ত চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের সর্বোশেষ তথ্য অনুযায়ী নভেল করোনা ভাইরাসে চীনের মূল ভূখণ্ডেই এ পর্যন্ত ৮১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হংকং ও ফিলিপিন্সে মারা গেছেন আরও দুই চীনা নাগরিক।







