করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশে ভ্যাকসিন কার্যক্রম দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। এখন পর্যন্ত কয়েক কোটি মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় টিকাদান কর্মসূচি আরকেটি মাইলফলকে পৌঁছেছে। এর ফলে ভ্যাকসিন কর্মসূচি আরও গতিশীল হবে বলেই আমরা আশাবাদী।
চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়, দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আগামী সাত দিন চলবে এই কর্মসূচি।
এরমধ্যে টাঙ্গাইলে কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যায়ে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সংশ্লিষ্ট এলাকার সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা। সিরাজগঞ্জেও শুরু হয়েছে ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে গণটিকা কার্যক্রম।
করোনাভাইরাসের টিকা পেতে একসময় অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছিল। তবে এখন বাড়ির পাশেই কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে করোনা ভাইরাসের টিকা নিতে পেরে খুশী গ্রামীণ জনপদের মানুষ। কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে সকাল থেকেই ভীড় করছে টিকা নিতে আসা সাধারণ মানুষ। কমিউনিউনিটি ক্লিনিকে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে সিনোর্ফামের করোনাভাইরাস টিকা। প্রতিদিন ৫শ’ জনকে দেওয়া হবে এই টিকা।
এসব তথ্য করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে আশা জাগিয়ে তুলছে। এখনও পর্যন্ত করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিনের বিকল্প নেই। এছাড়াও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে অসতেনতার কোনো সুযোগ নেই। ভ্যাকসিনের সংকট কিছুটা থাকলেও সেটা এখন প্রকট নয় বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। সংকট কাটিয়ে ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান থাকুক। দ্রুত দেশের সব মানুষকে ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসা হোক। এজন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে কার্যকর উদ্যোগ নিতে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।







