আকারে সম্প্রসারিত বাজেট বাস্তবায়ন করা সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছে বিজিএমইএ। এ বাজেটকে শিল্পবান্ধব বললেও রপ্তানির ক্ষেত্রে উৎস করের হার কমিয়ে শুধু পোশাকশিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিজিএমইএ মনে করছে, এ বাজেটে শিল্পকে উৎসাহিত করতে বেশ কিছু পদক্ষেপ আছে এবং তা বাস্তবায়ন জরুরি। বিজিএমইএ’র সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, অর্থমন্ত্রী বিশাল আকারের বাজেট দিয়ে বিশাল চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। এ বাজেট বাস্তবায়ন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং কারণ একদিকে রয়েছে অপার সম্ভাবনা আর তার বিপরিতে আছে বিরাজমান কঠিন বাস্তবতা।
বাজেটে সকল রপ্তানি খাতের জন্য প্রণদোনা রয়েছে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিজিএমইএ মনে করে এই প্রণদোনা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সে কারণে কেবল পোশাক তৈরি শিল্পের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দেয়ার জন্য প্রস্তাব করেছে বিজিএমইএ।
মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার জন্য যে শতকরা ৮ ভাগ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হবে, সেই লক্ষ্য অর্জনে এ বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা। দাবি জানিয়েছে পোশাকশিল্পে কর্পোরেট করহার এবং উৎস কর কমানোর।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, সকল ধরণের রপ্তানি খাতে উৎসে কর্তিত করের হার ০.৬০ থেকে বাড়িয়ে ১.৫০ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কর দেড়শ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। তারা এই উৎসে করের পরিমাণ আগের হারে ফিরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব করেছেন।
বিজিএমইএ নেতারা জানিয়েছেন, উৎস কর কমানোর ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন তারা।
বৃহস্পতিবার ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬শ’৫ কোটি টাকার প্রস্তাবিত
বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। প্রতি বছরের মতো এবারও বাজেটের পরদিনই
পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।







