কমনওয়েলথ গেমসে গত রোববার ছেলেদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে রুপা জিতেছিলেন আবদুল্লাহ হেল বাকি। আর বুধবার শাকিল আহমেদের হাত ধরে শুটিংয়ে এল আরেকটি রুপা। ছেলেদের ৫০ মিটার পিস্তলে বাংলাদেশকে রুপা উপহার দিলেন খুলনার তরুণ।
ফাইনালে ২২০.৫ স্কোর করে রুপা জিতেছেন শাকিল। ২২৭.২ পয়েন্ট পেয়ে গেমস রেকর্ড গড়ে সোনাজয়ী অস্ট্রেলিয়ার ড্যানিয়েল রেফাকোলি। আর এই ইভেন্টে ব্রোঞ্জ উঠেছে ভারতের ওমপ্রকাশ মিথারওয়ালের গলায়। ওমপ্রকাশের স্কোর ২০১.১।
গত সোমবার ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে অংশ নিয়েছিলেন শাকিল। কিন্তু সেদিন খুব বেশি ভাল করতে পারেননি। ফাইনালে উঠলেও ষষ্ঠ হয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করেন। কিন্তু নিজের প্রিয় ইভেন্টে আর সেই সুযোগ হাতছাড়া করেননি বুধবার। পদক জয়ের মঞ্চে ওঠার পর ধারাভাষ্যকার বলছিলেন, ‘শাকিল, দি ন্যাশনাল হিরো অব হিজ কান্ট্রি।’
আসরের অন্যান্য খেলায় যখন শুধু ব্যর্থতা, তখন এই শুটিংই বাংলাদেশকে বারবার গর্ব করার উপলক্ষ্য এনে দিচ্ছে।
শাকিল বাছাইয়ে ৫৪৫ স্কোর গড়ে চতুর্থ হয়ে ফাইনালে ওঠেন। পঞ্চম শট পর্যন্ত ৪৫.৯ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে ছিলেন। ১২ শট পর উঠে আসেন তৃতীয় স্থানে। ১৮ শট পরও ১৬৫.৮ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানেই ছিলেন। যদিও সোনাজয়ী রেফাকোলি শাকিলের চেয়ে বরাবরই এগিয়ে ছিলেন। আর শেষ দুই শটের আগে যেখানে রেফাকোলির স্কোর ছিল ২০৮.৭, সেখানে শাকিলের ২০২.২।
শুধু অস্ট্রেলিয়ান শুটারের বাজে স্কোরেই হয়তো সোনা জেতার সম্ভাবনা থাকতো শাকিলের। কিন্তু একাধিক কমনওয়েলথ গেমস ও তিনবার অলিম্পিক গেমসে অংশ নেয়া অভিজ্ঞ রেফাকোলি সেই সুযোগটা দিলেনই না। ২০০৬ মেলবোর্ন কমনওয়েলথ গেমসে এই ইভেন্টে (৫০ মিটার পিস্তল পেয়ারস) ডেভিড মুরের সঙ্গে জুটি গড়ে সোনাজয়ী রেফাকোলি মারলেন ৯.২। আর শাকিল ৮.৭ পয়েন্ট করে জিতলেন রুপা।







