পর্যটন শহর কক্সবাজারে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে থাকবে ফুটবল, ক্রিকেট ও হকির স্টেডিয়াম, থাকবে ক্রিকেট অনুশীলন মাঠ। সাগরপাড় ধরে ৫০ একর জমির উপর হবে মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সটি।
সাম্পান নৌকা ও মুনবোটের আদলে তৈরি করা হচ্ছে স্টেডিয়াম। পরিবেশবান্ধব আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কমপ্লেক্সটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে আড়াই হাজার কোটি টাকা।
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতের পাড় ঘেঁষে ২০১৩ সালে পর্যটন গলফ মাঠে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও ক্রিকেট কমপ্লেক্সের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কমপ্লেক্স, ক্রিকেট ও ফুটবল স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ১৫ হাজার থাকবে। হকি স্টেডিয়াম হবে ৮ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার।
খেলাধুলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এমন যুগান্তকারী পদক্ষেপ কক্সবাজারের জন্য বিশাল পাওয়া বলে মনে করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তারা।
কক্সবাজার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জসিম বললেন, ‘ক্রিকেট, হকি ও ফুটবল স্টেডিয়াম যখন হবে, আমরা আরও খেলোয়াড় তৈরি করতে পারবো। আমাদের খেলোয়াড়ের মান বাড়বে।’
ক্রীড়া কমপ্লেক্সের স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান প্রফেশনাল অ্যাসোসিয়েট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুর কাদের হেমায়েত উদ্দিন বললেন, ‘সাম্পান এবং মুনবোট, এই দুটোর ডিজাইন কালচারটাকে ফুটিয়ে তুলতে তিনটা স্টেডিয়াম এখানে হচ্ছে। এটি ক্রীড়া পর্যটনকে অনেকাংশে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’
শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও পরিচিতি লাভ করবে বলে আশা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের।
‘আমরা আলাদা করে ক্রিকেট, ফুটবল এবং হকির পাশাপাশি আটটি প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড এখানে নির্মাণ করতে চলেছি। যে কার্যক্রমগুলো ইতিমধ্যে গত একবছর ধরে আমরা নিয়েছি, সেই আলোকে খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করতে পারবো।’







