ঘরোয়া ক্রিকেটে আগুনে ফর্মের জোরেই অ্যাশেজ স্কোয়াডে ঠাই পেয়েছেন। বার্মিংহামের প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করে আস্থার প্রতিদানও দেন নির্বাচকদের। কিন্তু দ্বিতীয় টেস্ট থেকেই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন ম্যাথু ওয়েড। শেষ চার ইনিংসে করেছেন মাত্র ৪০ রান। তাই ওয়েডের পজিশন নিয়ে নতুন করে ভাবছে অস্ট্রেলিয়া।
৪ আগস্ট থেকে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে শুরু হবে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ টেস্ট। সেই টেস্টে দলের ব্যাটিং অর্ডারে বড় পরিবর্তন আনতে চায় অজিরা। যার প্রথম ভাবনায় আছেন মিচেল মার্শ। ম্যাথু ওয়েডের জায়গায় চিন্তা করা হচ্ছে এ অলরাউন্ডারকে।
জফরা আর্চার ও স্টুয়ার্ট ব্রডদের সামনে থিতুই হতে পারছেন না অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানরা। ব্যতিক্রম শুধু স্টিভেন স্মিথ ও তার ইনজুরির পর স্কোয়াডে জায়গা নেয়া মার্নাস লাবুশেন।
স্মিথের জায়গায় ব্যাট করতে নেমে অসাধারণ পারফর্ম করেন লাবুশেন। লর্ডসের এক ইনিংসে ৫৯ রান করার পর লিডসের দুই ইনিংসে খেলেন ৭৪ ও ৮০ রানের ইনিংস। অনুশীলন ম্যাচে ডার্বির বিপক্ষেও ৩৯ রান করেছেন। তাই ওল্ড ট্রাফোর্ডে লাবুশেনের স্কোয়াডে থাকা নিশ্চিত। সেইসঙ্গে স্মিথ ফিরলে টপঅর্ডারে পরিবর্তন আসতে পারে।
অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান ট্রেভর হন্স ইঙ্গিত দিয়েছেন দলের ব্যাটিং অর্ডারে ডানহাতি-বাঁহাতি কম্বিনেশনের জন্য স্কোয়াড থেকে বাদ পড়তে পারেন ওয়েড। বাঁহাতি ওয়েডের পরিবর্তে ডানহাতি মার্শ আসতে পারেন। তার উপর অনুশীলন ম্যাচে ডার্বির বিপক্ষে তিননম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৭৪ রান করেছেন মার্শ।
প্রথম তিন ইনিংসে তিনটি হাফসেঞ্চুরি করা লাবুশেন ব্যাটিং অর্ডারে পদোন্নতি পেতে পারেন। সেক্ষেত্রে তিননম্বরে নামতে পারেন তিনি।
অনুশীলন ম্যাচে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছেন পেসার মিচেল স্টার্ক। দুই ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়েছেন অ্যাশেজে এখনো কোনো ম্যাচ না খেলা বাঁহাতি পেসার। ফলে এই টেস্টে সতেজ স্টার্ককেও ফেরাতে পারে অস্ট্রেলিয়া।
প্রথম তিন টেস্টের মধ্যে একটি করে টেস্ট জিতেছে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া জেতার পর লর্ডসে দ্বিতীয় ম্যাচ ড্র হয়। আর বেন স্টোকস বীরত্বে তৃতীয় টেস্টে জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় ইংলিশরা।








