বাংলাদেশের হয়ে ছয়টি ওয়ানডে খেলেছেন আবুল হাসান রাজু। অথচ নামের পাশে নেই কোন উইকেট। সবশেষ ওয়ানডে খেলেছেন ২০১৫ সালের এপ্রিলে। সদ্যগত বিপিএলে ধারাবাহিকভাবে উইকেট নিয়েছেন। ডানহাতি পেসারের বোলিংয়ে উন্নতিটা চোখে পড়েছে নির্বাচকদেরও। বিশেষ করে রিভার্স সুইংটা। তাতে প্রায় তিন বছর পর ওয়ানডে দলে জায়গা মিলেছে। এবার কী তবে উইকেটের দেখা মিলবে?
‘আমি আত্মবিশ্বাসী। আসলে আগে একটু অন্যরকম ছিলাম। এখন অনেক বৈচিত্র্য এসেছে। দেখি, যদি সুযোগ পাই তাহলে নিজেকে প্রমাণ করব।’ মঙ্গলবার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমকে বলেন আবুল হাসান।
বিপিএল খেলেছেন সিলেট সিক্সার্সের হয়ে। যে দলে মেন্টর হিসেবে পেয়েছেন রিভার্স সুইংয়ের রাজা ওয়াকার ইউনুসকে। পাকিস্তানি কিংবদন্তির কাছে রিভার্স সুইংটা ভালই শিখেছেন বলে জানালেন রাজু। এবার ত্রিদেশীয় সিরিজে মেলে ধরতে চান নিজেকে।
‘জাতীয় দলে আসতে বিপিএল আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। ওয়াকার ভাই ছিল আমাদের দলে। আত্মবিশ্বাস ছিল, ওয়াকারের সঙ্গে কাজ করে স্কিলে উন্নতি ঘটাতে পারবো। রিভার্স সুইংটা নিয়ে অনেক বেশি কাজ করেছি তার সঙ্গে। স্লো বল নিয়েও। এখন নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ আসছে। ত্রিদেশীয় সিরিজ নিয়ে আমি আত্মবিশ্বাসী।’
আবুল হাসান ব্যাটিংটাও ভাল জানেন। অভিষেক টেস্টে ১০ নম্বরে নেমে করেছিলেন সেঞ্চুরি। মিরপুরে নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচে বিসিবি লাল দলের হয়ে শেষদিকে নেমে করেছেন ১৯ বলে ৩৫। তাকে পেস বোলিং অলরাউন্ডার বিবেচনা করায় দলে ফেরা সহজ হয়েছে। স্কিল ক্যাম্পে ব্যাটিং করার সুযোগ পাচ্ছেন পরিচয়টা ঝালিয়ে নিতে। জানালেন, ব্যাট হাতেও অবদান রাখতে চাওয়ার ইচ্ছাটার কথা।
‘এখন আমরা যে স্কিলগুলো করছি, সেগুলো আগে করতে পারলে আরও উন্নতি হতো আমাদের। সবকিছুই দুর্দান্ত হচ্ছে। মূল উইকেটে ব্যাটিং হচ্ছে, ইনডোরে ব্যাটিং হচ্ছে। আমি আত্মবিশ্বাসী। দেখি কী হয়..।’
আবুল হাসানের মধ্যে ইনজুরি প্রবণতা অন্যদের চেয়ে বেশি। ইনজুরির কারণে ডানহাতি পেসারকে দলের বাইরে থাকতে হয়েছে বিভিন্ন সময়ে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে মেলেও ধরা হয়নি সেভাবে। এখন তাই ফিটনেসের দিকও নজর দিতে চান সামনভাবে, ‘তিন বছর জাতীয় দলের বাইরে ছিলাম, কারণের মধ্যে ইনজুরিও ছিল। এখন নিজেকে সত্যিকারভাবে ফিরে পেয়েছি। আবার জাতীয় দলে এসেছি। নিজেকে প্রমাণের সময় এখন।’










