বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার চেয়েও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে দাবি করেছেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।
নিউইয়র্ক টাইমের সংবাদের ভিত্তিতে গবেষক দলটি দাবি করছেন, যেখানে সাউথ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য এবং ডেনমার্কে ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন তার চেয়েও রেকর্ড সংখ্যাক সংক্রমণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে।
ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির গবেষক ড. পবিত্র রায় চৌধুরী বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে করোনা রোগীর সংখ্যা ১৩ শতাংশ অর্থাৎ ২১৭ জন ওমিক্রন আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। যেটা প্রতিদিন বাড়ছে। এটা স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে ওমিক্রন সত্যিই দ্রুত বাড়ছে।
ড. রায়চৌধুরী সতর্ক করে বলছেন, যদিও নমুনা সংগ্রহ খুব ছোট পরিসরে হলেও এর ফলাফল ভবিষ্যতে উদ্বেগজনক কারণ ওমিক্রন অত্যন্ত সংক্রমণযোগ্য ।
ওমিক্রন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ দেখেছেন যে কোন বিকল্প মাধ্যমে এই ভ্যারিয়েন্ট থেকে কিভাবে সুরক্ষা থাকা যাবে। কিন্তু এখনও বিজ্ঞানীরা এটা নির্ণয়ের চেষ্টা করছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যেও ওমিক্রনের সংক্রমণের রেকর্ড বাড়ছে। গতকাল ওমিক্রন আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এর মধ্যেই ওমিক্রন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটিতে।
বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বরিস জনসন বলেন, ‘ওমিক্রনের একটি উত্তাল ঢেউ আসছে। আর এটা নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। সেটি রোধে এই সপ্তাহ থেকে ইংল্যান্ডে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হবে। ’
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি দেওয়ার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে যুক্তরাজ্যে করোনার সতর্কতা সংকেত বেড়ে ৪ হয়েছে। লেভেল চার মানে করোনার উচ্চ বা ক্রমবর্ধমান ট্রান্সমিশন। সর্বশেষ গত মে মাসে দেশটিতে সতর্কতা এই অবস্থায় ছিল।
এদিকে বাংলাদেশে জিম্বাবুয়ে ফেরত দুজন নারী ক্রিকেটারের শরীরে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।







