ওজন বাড়ছেই। কমার কোনো লক্ষণ দেখছেন না। ব্যায়াম করতেও ঘেমে-নেয়ে শরীর ক্লান্ত লাগে। এমন অবস্থায় কী করবেন বুঝতেই পারছেন না আপনি।
অনেক সময় অনেক কম খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে হিমসিম খেতে হয়। আবার সারাক্ষণ ক্লান্তির কারণে হাঁটাচলা কিংবা ব্যায়াম করতেও আলসেমি লাগে। এমন পরিস্থিতিতে প্রচুর পানি পান করা হলো সমাধান। ওজন নিয়ন্ত্রণে পানি একটি বড় ভূমিকা রাখে।
জেনে নিন ওজন নিয়ন্ত্রণে পানি পানের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে।
শর্করার গ্রহণ কমায়
খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করে নিলে অতিরিক্ত ভোজনের আশঙ্কা থাকে না। বিশেষ করে শর্করা কিংবা স্নেহ জাতীয় খাবার খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করে নিন। এতে খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
মেটাবোলিজম বাড়ায়
যতবার পানি পান করা হয়, শরীর ততবার তার কার্যক্রম শুরু করে দেয়। প্রতিটি কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি পৌঁছে দেয়া এবং শরীর থেকে দূষিত পদার্থ নির্গত করে দেয়ার কাজে মেটাবোলিজম বৃদ্ধি পায় এবং বাড়তি কিছু ক্যালরি খরচ হয়।

ব্যায়ামের ক্ষমতা বাড়ায়
ওজন কমানোর জন্য ব্যায়াম প্রয়োজন। আর ব্যায়াম করার পাশাপাশি প্রচুর পানি পান করাও জরুরি। কারণ ব্যায়াম করলে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। তাই পর্যাপ্ত পানি পান না করলে ব্যায়াম করলে ক্লান্তি লাগে। ব্যায়ামের ক্ষমতা বাড়াতে এবং ব্যায়াম করার পর চাঙ্গা থাকতেও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা প্রয়োজন।
অন্য পানীয় কম খাওয়া হয়
একটু গরম পড়লেই মানুষের কোমল পানীয় কিংবা ক্ষতিকর প্যাকেটজাত জুস পানের প্রবণতা বাড়ে। প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণার্ত হয়ে এগুলো পান করতে খুব ভালো লাগলেও অতিরিক্ত চিনিযুক্ত এসব পানীয় দ্রুত ওজন বাড়িয়ে ফেলে। কিছুক্ষণ পরপর পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে তৃষ্ণা নিবারণ হয় এবং এসব পানীয়ের প্রতি আকর্ষণ কমে যায়। ফলে, বাড়তি ক্যালরি যোগ হয় না খাবার তালিকায়।
মানুষের প্রতিদিন পানির চাহিদা কতটুকু তা নির্ভর করে আবহাওয়া, কাজ, শারীরিক অবস্থা ইত্যাদির ওপর। বাংলাদেশের আবহাওয়ার একজন সুস্থ মানুষের সাধারণত দিনে দুই থেকে তিন লিটার পানি পান করা উচিত। তবে এটি নির্ভর করছে কতোটুকু ঘাম হচ্ছে তার ওপর। খাওয়ার কমপক্ষে তিরিশ মিনিট পর পানি পান করবেন। কম পানি পান করা যেমন ক্ষতিকর, প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পান করাও কিডনির জন্য ক্ষতিকর।
ফেমিনা










