শুধু একপক্ষের কথা শুনে নয়, আওয়ামী লীগসহ অন্যদলগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে ঐক্যমতের ভিত্তিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন পেছালে আপত্তি করবে না ক্ষমতাসীন দল।
রোববার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে ওপেন ফ্লোর আলোচনায় এ কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
তিনি বলেন, ‘দলের ভেতরে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। এটা নির্বাচন কমিশের এখতিয়ার। তবে আমরা বলবো এটা অবশ্যই সকলের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে হতে হবে। শুধু অপজিশনের কথা শুনলে হবে না। দাবি করলেই তো হবে না, আমরা তো আছি; আমাদের জোট আছে, মহাজোট আছে, সংসদে বিরোধী দল আছে।’
সকলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তফসিলের যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘সব মিলিয়ে সবার সঙ্গে তো আলোচনা করতে হবে। ঐক্যমতের ভিত্তিতে হতে পারে। আজ আমাদের বোর্ড মিটিং আছে। সেখানে এ বিষয়গুলো আলোচনা করবো।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন: ‘আমি তো গতকাল বারবার বলেছি যুক্তফ্রন্ট, ঐক্যফ্রন্ট, ২০ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেবে। বিএনপি-২০ দলীয় জোট একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জয়েন্ট অংশ নেবে।’
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বিষয়ক সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার মন্তব্য করে তিনি বলেন: ‘শিডিউলের ব্যাপার সম্পূর্ণ ভাবে নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। তার সিডিউল পেছাবেন কী পেছাবেন না সেটা নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে।’
আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বিষয়ে যৌক্তিক সমাধানে পৌঁছাবো সম্ভব বলে জানান কাদের।
যোগ করেন: ‘আমরা প্রত্যাশা করি সিডিউল পেছানোর ব্যাপারে তারা (নির্বাচন কমিশন) বাস্তবের দিকে চেয়ে যথাযথ সিদ্ধান্ত নেবেন।এটা আমরা প্রত্যাশা করি এবং আশা করি।’
আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংগঠনিক এ নেতা বলেন: ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে যে তফসিল ঘোষণা করেছে, আমরা তাকে পজেটিভলি স্বাগত জানিয়েছি। ঘোষিত তফসিল বাস্তব সম্মত। ইলেকশন সিডিউলও আমরা স্বাগত জানিয়েছি।’
‘ডিমান্ড তো অনেকেই করবে, এটা সময় পরিস্থিতি এলাউ করবে কী সেটা প্রশ্ন। আমরা তো গতকালও বলেছি আমরা আপত্তি করবো না।’







