ঈদুল আযহার পর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ফরম ছাড়ার পাশাপাশি পূরণের কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, পরীক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে যথাক্রমে ৬০ দিন ও ৮৪ দিনের শ্রেণি কার্যক্রম শেষে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল। বর্তমান মহামারী কোডিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের গ্রুপ ভিত্তিক ৩টি নৈর্বাচনিক বিষয়ের উপর অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিখন ফল অর্জনের বিষয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফরমের টাকা নেওয়া হবে। ফলে কোনো শিক্ষার্থীকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হবে না। এবার যেহেতু কম বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে, সেক্ষেত্রে ফরম পূরণেও অল্প টাকা দিতে হবে।
অনিয়মিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মতোই তাদের এসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। এক্ষেত্রে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।
মন্ত্রী জানান, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ১২ সপ্তাহে ২৪টি এসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। তারা প্রতি সপ্তাহে দুটি করে এসাইনমেন্ট জমা দেবেন। এইচএসসির পরীক্ষার্থীদের জন্য ৩০টি এসাইনমেন্ট দেওয়া হবে। প্রতিটি পত্রে পাঁচটি করে এসাইনমেন্ট করবেন। সপ্তাহে এসব শিক্ষার্থী দুটি এসাইনমেন্ট করবেন। ফলে আগে যে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস দেওয়া হয়েছিল এর মাধ্যমে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শেষ করা হবে। তবে অতিরিক্ত বিষয়ে কোনো অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া হবে না।
দীপু মনি জানান, এবারও গতবছরের মতো সাবজেক্ট ম্যাপিং করা হবে। যেসব শিক্ষার্থীর পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত আছে, তাদের এসব বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট বা পরীক্ষা দিতে হবে।
করোনা পরিস্থিতির অভিজ্ঞতার উল্লেখ করে তিনি বলেন, গতবছরের ডিসেম্বরে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। এখন টিকাদান আয়োজন ব্যাপকহারে শুরু হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সীমিত পরিসরে পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।
তিনি জানান, করোনা পরিস্থিতি অনুকূল হলে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা এবং ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে।







