টি-টুয়েন্টি দলে নিয়মিত মুখ আবু হায়দার রনি। আফগানিস্তান সিরিজের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরেও ছিলেন এ বাঁহাতি পেসার। আহামরি কিছু করতে না পারলেও মন্দ হয়নি ব্যাক-টু-ব্যাক সিরিজ খেলার অভিজ্ঞতা। এবার ওয়ানডে দলেও রাখতে চান পারফরম্যান্সের প্রতিফলন।
এশিয়া কাপের ১৫ সদস্যের দলে আছেন আবু হায়দার। সুযোগ পেলে দিতে চান নিজের সর্বোচ্চটা, ‘আমার আত্মবিশ্বাস খুব ভালো অবস্থায় আছে। খুব ভালো বোলিং হচ্ছে এখন পর্যন্ত। শেষ দুটি সিরিজও খুব ভালো বোলিং হয়েছে। চেষ্টা করব ওই ধারাটাই যেন রাখতে পারি। অনুশীলনেও খুব পরিশ্রম করছি। যদি সুযোগ পাই সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব।’
এশিয়া কাপের দলে অধিনায়ক মাশরফী ছাড়াও রুবেল ও মোস্তাফিজ আছেন পেস বোলিং করতে। পেস আক্রমণে এই ত্রয়ীর অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার সমৃদ্ধ। একাদশে সুযোগ পেতে আবু হায়দারকে ছাড়িয়ে যেতে হবে তাদের। ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ২২ বছরের এ তরুণের রোমাঞ্চের পাশাপাশি আছে চ্যালেঞ্জও।
‘এটা একটা চ্যালেঞ্জ আসলে। জাতীয় দলে যারা আছেন সবাই প্রতিষ্ঠিত বোলার। তাদের মধ্যে আমার অভিজ্ঞতা একটু কম। চেষ্টা করছি এখান থেকে যতটুকু পারা যায়, নিজেকে অভিজ্ঞ করতে। সিনিয়রদের দেখে যতটুকু শেখা যায়। আর একটা প্রতিযোগিতা তো থাকে।’
‘চারজন পেস বোলার আছি আমরা। তিনজন বা দুজন ভালো করছে। এটা আমার মধ্যেও তাগিদ আসে যে আমাকেও ভালো করতে হবে। জাতীয় দলে থাকতে হলে, ম্যাচ খেলতে হলে অনেক ভালো করতে হবে। এটা দলের মধ্যে একটা ভালো ব্যাপার যে অভিজ্ঞতা অর্জন করা, ভালো করার চেষ্টা করা। এটা উপভোগ করছি।’ বলেন আবু হায়দার।
মঙ্গলবার অনুশীলনে যোগ হয়েছেন পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশ। টাইগারদের সঙ্গে দুই বছর পূর্তির দিনে খুব বেশি কাজ করেননি এই ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি। পাইপলাইনে থাকা ভবিষ্যৎ পেসার খালেদ, শরিফুলদের সময় দিয়েছেন। আবু হায়দার মুখিয়ে আছেন তার কাছ থেকে খুঁটিনাটি অনেক কিছুই শিখে নিতে।
সোমবার মিরপুরে দিবা-রাত্রির অনুশীলনজুড়ে ছিল ম্যাচের আদল। পেসারদের সামনে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছুঁতে ব্যাটসম্যানরা করেছেন প্রাণপণ লড়াই। বেশিরভাগ সময় সফল হয়েছেন বোলাররা। এমন অনুশীলন আসল ম্যাচে খুব কাজে দেবে বলেই বিশ্বাস আবু হায়দারের।
‘উপলব্ধি বলতে এটা কিন্তু ভালো একটা অনুশীলন। এই পরিস্থিতিগুলো ম্যাচে আসে। দেখা যাচ্ছে এক ওভারে ৬ রান, ৭ রান লাগে বা ৯ রান লাগে; তখন আপনার ডিফেন্ড করতে হয়। ব্যাটসম্যানদেরও চ্যালেঞ্জ এক ওভারে ৯/১০ রান নেয়ার। এই অনুশীলন করলে আত্মবিশ্বাসের মাত্রা বেড়ে যাবে, আর মাথায় আসবে এই পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবেলা করতে হবে। যেমন কাল(সোমবার) প্রথম বলে একটা বাউন্ডারি হয়েছে, তখন চেষ্টা করেছি পরের ৫টা বল কীভাবে ডিফেন্ড করা যায়।’







