বলকান দেশগুলো নিজ দেশে ইউরোপমুখী শরণার্থীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও আফগানিস্তান ছাড়া এশিয়ার অন্যান্য অংশ ও আফ্রিকা থেকে আসা আশ্রয় প্রত্যাশীদের নিজেদের ভূখণ্ডে ঢুকতে দিচ্ছে না ক্রোয়েশিয়া।
সার্বিয়া ও মেসিডোনিয়াও কড়াকড়ি আরোপ করেছে। তারা শরণার্থীদের জাতীয়তা দেখে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। প্যারিসে সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে শরণার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত হতে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার থেকে এটি কার্যকর করা হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সীমান্তে আটকা পড়েছে অনেকে।
জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র গতকাল জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশ ক্রোয়েশিয়া-সার্বিয়া থেকে আসা ৪০০ জনকে ট্রেনে উঠতে দেয়নি। অন্যদিকে গ্রিস ও মেসিডোনিয়া সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে জড়ো হয়েছে অনেক আশ্রয়প্রত্যাশী।
এএফপি জানিয়েছে, স্লোভেনিয়া হয়ে ক্রোয়েশিয়ায় ঢুকতে যাওয়া শরণার্থীদের ফেরত পাঠানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্লোভেনিয়ার অনুরোধও রক্ষা করা হয়নি।
প্রতিদিন ভূমধ্যসাগর ও এজিয়ান সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপের মাটিতে পা রাখছে হাজার হাজার আশ্রয়প্রত্যাশী। এসব মানুষের বেশির ভাগই জার্মানির মতো পশ্চিম ইউরোপীয় ধনি দেশে যেতে চায়।






