বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তে এবার এবি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে তলব করা হয় পরিচালক বি. বি. সাহা রায়কে। দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে তাদের চিঠি দেয়া হয়।
এর আগে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও কয়েকজন পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক।
রোববার ব্যাংকটির ছয় পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। তারা হলেন- শিশির রঞ্জন বোস, মো. মেজবাহুল হক, মো. ফাহিমুল হক, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, মোছা. রুনা জাকিয়া ও মো. আনোয়ার জামিল সিদ্দিকি। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এসব পরিচালকদের জিজ্ঞাসাবাদের পর বর্তমান চেয়ারম্যান ও এক পরিচালককে তলব করা হয়।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি অফশোর কোম্পানি খোলার নাম করে দুবাইয়ের পিজিএফ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানেই তাদের তলব করে দুদক।
দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, এবি ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান এম এ আউয়াল ও পরিচালক বি. বি. সাহা রায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি দেয়া হয়েছে। চিঠিতে দু’জনকে সোমবার সকাল ৯টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।
একই অভিযোগ অনুসন্ধানে গত ২৮ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
এরপর ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকটির সাবেক আর একজন এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী ও ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্সটিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি শাখার প্রধান আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
গত ২ জানুয়ারি ব্যাংকটির আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে দুদক জিজ্ঞাসাবাদ করে। তারা হলেন- ব্যাংকের হেড অব করপোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউর কর্মকর্তা মো. আরিফ নেয়াজ, কোম্পানি সচিব মাহদেব সরকার সুমন ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমএন আজিম।
এদিকে ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হকসহ ব্যাংকটির সাবেক ও বর্তমান ১৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুদক।







