নিজের প্রথম ম্যাচে চেন্নাইকে দেখিয়েছেন ১৯০ স্ট্রাইকরেটের ঝড়। করেছেন ৩৩ বলে ৬৩ রান। পরে সানরাইজার্সের বিপক্ষে ঝড়টা ১৬৫ স্ট্রাইকরেটের। তার পরের ঝড়ের স্থায়িত্ত্ব বেশি। একেবারে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত। সেই ঝড়ে চুরমার হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।করেন ৬৩ বলে ১০৪ রান।
দু’দিন যেতে না যেতই আবারও গেইলের ঝড়। এবার কলকাতার ইডেন গার্ডেনে। দারুণ শুরু করেন নিজের ইনিংস। প্রথমে ব্যাট করে ১৯৭ রান করে কলকাতা। বড় রানের জবাবে দারুণ শুরু করেন পাঞ্জাবের দুই ওপেনার ক্রিস গেইল এবং লোকেশ রাহুল।
তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে কিংসরা তোলে ৯৬ রান। সেটিও আবার ৮.২ ওভারে। এরপর শুরু হয় বৃষ্টির বাগড়া। বৃষ্টিই নাইটদের গেইল-রাহুলের হাত থেকে সাময়িক স্বস্তি দেয়।
পরে নাইট রাইডার্সকে বৃষ্টি আইনে ৯ উইকেটে হারায় পাঞ্জাব। এই জয়ের ফলে তারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে গেছে। পাঁচ ম্যাচ খেলে চারটিতে জয় পেয়েছে পাঞ্জাব। অন্যদিকে, ছয় ম্যাচ খেলে তিনটিতে জিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে নাইট রাইডার্স।
বৃষ্টির পর যখন খেলা শুরু হয় তখন পাঞ্জাবের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়ায় ১৩ ওভারে ১২৫ রান। কিন্তু তারা ১১.১ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে জয় তুলে নেয়।
লোকেশ রাহুল ২৭ বল খেলে ৬০ রান করে আউট হন। ৩৮ বল খেলে ৬২ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্রিস গেইল। দুই বল খেলে দুই রান করে অপরাজিত থাকেন মায়াঙ্ক আগারেওয়াল। কলকাতা নাইট রাইডার্সের পক্ষে একমাত্র উইকেটটি নেন সুনিল নারিন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১৯১ রান সংগ্রহ করে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দলের পক্ষে ৪১ বল খেলে ৭৪ রান করেন ওপেনার ক্রিস লিন। এই রান করার পথে ছয়টি চার ও চারটি ছক্কা হাঁকান তিনি। এছাড়া ২৮ বল খেলে ৪৩ রান করেন অধিনায়ক দিনেশ কার্তিক।
পাঞ্জাবের পক্ষে মুজিব উর রহমান ১টি, বারিন্দ্রর স্রান ২টি, অ্যান্ড্রু টাই ২টি ও রবীচন্দ্রন অশ্বিন ১টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা লোকেশ রাহুল।







