২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব হলেও তা টেক্সাইলবান্ধব নয় বলে মন্তব্য করেছে পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং বিটিএমএ। প্রস্তাবিত বাজেটে আরোপিত উৎসে কর প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলো।
শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনগুলোর নেতারা বলেন, ২০১২ সালে তাজরীন গার্মেন্টেসে আগুন এবং রানা প্লাজা ধসের পর গত বছর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালিয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। তবে এ বছরের শুরুতেই টানা তিন মাসের রাজনৈতিক সহিংসতায় রপ্তানিমুখী এ খাতের আয় ব্যাহত হয়েছে। তার ওপর উৎসে আয়কর দশমিক তিন শূন্য থেকে এক শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তাই শিল্প মালিকরা মনে করে করছেন এবারের বাজেট ব্যবসাবান্ধব হলেও টেক্সটাইলবান্ধব হয়নি।
বিজেএমইএ আতিকুল ইসলাম বলেন, পোশাক শিল্প মালিকরা ৪৪ লাখ শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে। উৎস কর কমিয়ে পূর্বের অবস্থায় নিলে অনেক বেশি কর্মসংস্থান হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এবারের বাজেটে গার্মেন্ট শিল্পের যন্ত্রপাতির ওপর প্রথমবারের মতো এক শতাংশ আমদানি শুল্ক প্রস্তাব করা হয়েছে। যা শিল্প মালিকদের জন্য হুমকি স্বরূপ। তাই সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যন্ত্রাংশের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করা হোক।
বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমান বলেন, আজকের পরিস্থিতিতে যে দাবি করছি সেটি চিরস্থায়ী। এটি একটি প্রস্তাবনা বাজেট। আমরা সবার সহযোগিতা চাই, আপনাদের বিজ্ঞ মতামত চাই। মতামতের মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে যেনো আমরা একটা ভালো ফলাফল পাই।
ডলার এবং অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার শক্ত অবস্থানের কারণে মুনাফা কমে যাওয়ার পরও উৎসে আয়করের সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী মনে করছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠনগুলো।
তবে নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত পোশাক কারখানা তৈরিতে বিভিন্ন আমদানি পণ্যের উপর ১৫ শতাশং মূল্য সংযোজন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন পোশাক শিল্প মালিকরা।






