অর্থ ফেরত পাওয়ার স্বার্থে আপাততঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় গঠিত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করছে না অর্থ মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার এই রিপোর্ট প্রকাশের কথা থাকলেও বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, প্রতিবেদনটি প্রকাশে বেশ দেরি হবে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের বলেন, নানা কারণে এখনই এ রিপোর্ট প্রকাশ করা যাচ্ছে না। ফিলিপাইনের আদালতে যেহেতু এ বিষয়ে মামলা চলছে, তাই চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার স্বার্থেই এই তদন্ত প্রতিবেদন এখন প্রকাশের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে।
রিজার্ভ চুরির পর ফিলিপাইন সিনেটের ৬ দফা শুনানির পর ক্যাসিনো ব্যবসায়ী কিম ওয়াং ৯৮ লাখ ডলার ফেরত দেয়। বাকি টাকা উদ্ধারে ফিলিপাইন সরকার তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আগামী ৪/৫ মাসের মধ্যে পুরো টাকাটাই ফেরত পাওয়া যাবে।
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর জন্য ঋণ নেয়ার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে সরকার।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরি হয়। এর মধ্যে দুই কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কায় আর বাকি ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনে। এ
ঘটনা তদন্তে গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গর্ভনর ড.ফরাসউদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে। গত ৩০ মে ফরাসউদ্দিন আহমেদ অর্থমন্ত্রীর কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেন।
যাচাই বাছাই শেষে ২২ সেপ্টেম্বর পুরো রিপোর্টটি ওয়েব সাইটে প্রকাশের কথা জানিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী।







