ম্যাচের ৬০ মিনিটে নাইজেরিয়ার আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে হয়েছেন রক্তাক্ত, তবু দমে যাননি, চালিয়ে গেছেন খেলা। রক্ষণ সামলেছেন, মাঝমাঠ থেকে মেসিদের বলের যোগানও দিয়েছেন। মাশ্চেরানো যেভাবে পাথরমুখ করে লড়ে যাচ্ছিলেন, তাতে শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও লড়ে যেতেন। থামানো যেত না তাকে!
নাইজেরিয়ার ভিক্টর মোসেস যখন নাইজেরিয়াকে সমতায় ফেরালো, ক্যামেরায় বারবার ধরা পরছিল এক যোদ্ধার নাম মাশ্চেরানোর অশ্রু ভেজা চোখ দুটি। মনে মনে হয়তো ভাবছিলেন, যদি এই ভুলের কারণেই দল বাদ পড়ে যায়, তবে নিজেকে আর কখনোই ক্ষমা করতেন পারবেন না তিনি।
তারপর সেই যে মাঝমাঠ থেকে রক্ষণভাগ- সব যেন একাই সামলাচ্ছিলেন একজন সত্যিকারের যোদ্ধার মত।
ম্যাচের ৬০ মিনিটের দিকে নাইজেরিয়ার খেলোয়াড়দের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে মুখ কিছুটা থেঁতলে যায় মাশ্চেরানোর। ডান চোখের ওপরে, কপালে বড় একটা অংশ কেটে যায়। চোখের পাশ বেয়ে পড়তে থাকে রক্ত।
তবুও নিজের ইনজুরির কারণে এক ফোঁটা সময়ও নষ্ট করলেন না মাশ্চেরানো। কারণ দলের পরের রাউন্ডের টিকিট পেতে যে চাই আরও এক গোল! রক্ত পড়া অবস্থাতেই চালিয়ে গেলেন খেলা।
একজন সত্যিকারের যোদ্ধা তো কখনও মাঠে হেরে আসতে পারে না। যেন এমন চোয়ালবদ্ধ প্রতিজ্ঞা নিয়েই মাঠে নেমেছিলেন মাশ্চেরানো।
ম্যাচ শেষে ঠিকই জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে মাশ্চেরানো দল।







