আধুনিক শিল্প সাহিত্য ও দর্শনের তীর্থস্থান ফ্রান্সে বসছে বিশ্ব ফুটবলের উন্মাদনা সৃষ্টিকারী আসর ‘ইউরো ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০১৬’। ইউরোপের সেরা ফুটবল খেলুড়ে দেশগুলোকে নিয়ে আগামী ১১ জুন স্বাগতিক ফ্রান্স ও রোমানিয়ার ম্যাচের মধ্য দিয়ে মাঠে গড়াচ্ছে ১৫তম আসরটি।
টুর্নামেন্টে এবারই প্রথম সর্বাধিক ২৪টি দল অংশ নিচ্ছে । এবার নিয়ে তৃতীয়বারের মতো ইউরো’র আয়োজন করতে যাচ্ছে ফরাসিরা। এর আগে ১৯৬০ সালে প্রথম আসরের আয়োজনের পর ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয়বারের মতো টুর্নামেন্টের আয়োজক ছিল ফ্রান্স।
জমজমাট এই ফুটবল আসরকে ঘিরে পুরো ফ্রান্স জুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ইউরোপ সেরা এই আসরকে বরণ করতে নতুন সাজে সেজেছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসসহ অন্যান্য স্বাগতিক শহরগুলো । এই আসরের ময়দানী লড়াই উপভোগ করতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন ফুটবলপ্রেমীরা।
ইউরোপ সেরা এ আসরে দশটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচগুলো। চ্যানেল আই অনলাইনের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো ওই ভেন্যুগুলো।
স্তাদে ডি বর্ডেয়াক্সঃ 
ফ্রান্সের উত্তরে বর্ডেয়াক্সের স্তাদে দি বর্ডেয়াক্সে স্লোভাকিয়া ও ওয়েলসের মধ্যকার ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও গ্রুপ পর্বের বেশ কয়েকটি ম্যাচ হবে। এই মাঠে দর্শক ধারণ ক্ষমতা ৪২ হাজার।
স্তাদে ডি বোলার্য়েটঃ 
ইউরোর এবারের আসরে সবচেয়ে ছোট্ট শহর লেন্সের এ মাঠে ইংল্যান্ড ওয়েলসের ম্যাচটি বাদেও গ্রুপ পর্বের আরও চারটি ম্যাচ অুনষ্ঠিত হবে।এ মাঠে দর্শক ধারন ক্ষমতা ৩৫ হাজার।
স্তাদে পাইরে মাওরয়ঃ 
লিলির এ মাঠটি উন্মুক্ত করা হয় ২০১২ সালের আগস্টে। এ স্টেডিয়ামের সবচেয়ে মজার বিষয় মাঠের ছাদ ভাজ করা যায় আবার খোলাও যায়।গ্রুপ পর্বের বেশ কয়েকটি ম্যাচ এ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
স্তাদে ডি লিয়নঃ 
ফ্রান্সের তৃতীয় বৃহত্তম শহর লিয়নের এ মাঠে দর্শক ধারন ক্ষমতা ৫৯ হাজার।১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপের ভেন্যু ছিল এ স্টেডিয়ামটি। এবার ইউরোতে সেমিফাইনাল সহ বেশ কয়েকটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
স্তাদে ভেলোডমঃ 
ফ্রান্সের মার্সেলের এই স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ড রাশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে।এই মাঠে দর্শক ধারন ক্ষমতা ৬৭ হাজার।
স্তাদে ডি নাইসঃ 
ফ্রান্সের পযর্টনের নগরী নাইসে ইউরোর ম্যাচগুলো বাড়তি বিনোদনের খোড়াগ যুগাবে দর্শনার্থীদের। পরিবেশ বান্ধব এ স্টেডিয়ামে রয়েছে চার হাজার সোলার প্যানেল। এ মাঠে দর্শক ধারন ক্ষমতা ৩৫ হাজার।
পার্স ডেস প্রিন্সেসঃ
রাজধানীর প্যারিসে এ স্টেডিয়ামে ইউরোর বেশ কয়েকটি ম্যাচ হবে। ইউরো উপলক্ষে এ স্টেডিয়ামের ধারন ক্ষমতা বাড়িয়ে ৪৫ হাজার করা হয়েছে।
স্তাদে ডি ফ্রান্সঃ 
ফ্রান্সের সেইন্ট ডেনিসে এ মাঠটি ফুটবলের পরিপূরক। রাজধানী প্যারিস থেকে ছয় মাইল উত্তরে ১৯৯৮ সালে এ মাঠেই হয়েছিল বিশ্বকাপের ফাইনাল। স্টেডিয়ামটিতে দর্শক ধারন ক্ষমতা ৮০ হাজার।এই মাঠেই এবারের ইউরোর ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
স্তাদে ডি জের্ফয় গুইচার্ডঃ 
সেইন্ট ইতিনেতে ইউরোর গ্রুপ পর্বের চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই মাঠের পুরাতন নাম ক্যালড্রোন। মাঠের দর্শক ধারন ক্ষমতা ৪২ হাজার।
স্টেডিয়াম ডি টওলোসঃ 
ফ্রান্সের সবচেয়ে ছোট স্টেডিয়ামটি হলো ডি টওলোস। ইউরোর গ্রুপ পর্ব ও শেষ ষোলোসহ চারটি ম্যাচ এ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। এ মাঠের দর্শক ধারন ক্ষমতা ৩৩ হাজার।








