মোরশেদ আলম: ধনিয়া, কালো জিরা, মিষ্টি মসলা, মধুসহ নানান ধরনের মসলা দিয়ে হরহামেশাই বানিয়ে ফেলেন বাহারি পান। আর এ বাহারি এক খিলি পান বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকায়। চাঁদপুরে প্রায় ১৫ বছর ধরে বিভিন্ন ওয়াজ-মাহফিল, মেলা কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে বিক্রয় করে থাকেন নানার ধরনের মসলা আইটেম দিয়ে ১০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দামের পান।
এমনই এক পান দোকানীর দেখা মিলেছে হাজীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর পশ্চিম পাড়া ঈদগাহ মাঠের মাহফিলে। তার নাম বলরাম সাহা জী। বলরাম হাজীগঞ্জ উপজেলার উত্তর কাশিমপুর সাহা জী বাড়ির মৃত কানু লাল সাহা জীর ছেলে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাজীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদপুর পশ্চিম পাড়া ঈদগাহ মাহফিলে মাঠের পার্শ্বে টেবিলের উপর সাঁজানো রং বেরঙের মসলায়। বানানো হচ্ছে মিষ্টি পান, আগুন পানসহ নানান ধরনের পান। প্রতিটি পান প্রকার ভেদে ১০ টাকা ৫০ টাকা, ১০০ টাকা, ১৫০ টাকা ২০০ টাকা ২৫০ টাকা ও ৩০০ টাকা পর্যন্ত। অবাক হওয়ারই কথা ১ বিড়া ৭২ পিস পান কেনা যায় যেখানে ৫০ টাকায়। সেখানে মাত্র এক খিলি পানের দামই ৩০০ টাকা। এই সুস্বাদু রংবেরঙের পান খেতে দোকানের চারপাশে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। এক খিলি আগুন পান খেতে পারেন আপনি ৫০ টাকায়।
পানে বিভিন্ন ধরনের মসলা দিয়ে পানের উপর আগুন ধরিয়ে মোড়কীকরণ করে মুখের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হয়। প্রথমে একটু গরম অনুভব হলেও পরে আলাদা একটা ফ্লেভার পাওয়া যায় বলে জানান আগুন পান খেতে আসা কয়েকজন যুবক।
প্রায় ১৫ বছর ধরে বিভিন্ন ওয়াজ-মাহফিল, মেলা কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানে বিক্রয় করে থাকেন নানার ধরনের মসলা আইটেম দিয়ে ১০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দামের পান।









