লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এক ওভারে সবচেয়ে বেশি রান দেয়ার নতুন রেকর্ড গড়েছেন নিউজিল্যান্ডের উইলেম লুডিক। তার এ রেকর্ডে কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবেন বাংলাদেশের আলাউদ্দিন বাবু। কারণ বাবুকে পেছনে ফেলেই এক ওভারে সবচেয়ে বেশি রান দেয়ার তালিকায় একনম্বরে উঠেছেন কিউই মিডিয়াম পেসার।
২০১৩তে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে আবাহনীর হয়ে এক ওভারে ৩৯ রান দিয়েছিলেন পেসার আলাউদ্দিন। বুধবার হ্যামিল্টনে নিউজিল্যান্ডের ঘরোয়া ওয়ানডের টুর্নামেন্ট ‘দ্য ফোর্ড’ ট্রফিতে লুডিকের এক ওভার থেকে আসে ৪৩ রান!
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আলাউদ্দিন বাবুর ওভারে টর্নেডো চালিয়েছিলেন শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের হয়ে খেলতে আসা জিম্বাবুয়ের অলরাউন্ডার এল্টন চিগুম্বুরা। সেবার নো বলে বাউন্ডারিতে শুরু করেছিলেন চিগুম্বুরা। পরের বল ছিল ওয়াইড। এরপর ৬, ৪, ৬, ৪, ৬। পরের বল ওয়াইড, শেষ বলে আবার ৬।
মাত্র চতুর্থ ম্যাচ খেলতে নামা সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের ২১ বছর বয়সী মিডিয়াম পেসার লুডিকের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছেন নর্দান ডিস্ট্রিক্টসের জো কার্টার ও ব্রেট হ্যাম্পটন। হ্যাম্পটনের বাউন্ডারিতে শুরুর পর টানা দুটি নো বলে ছক্কা। পরের বলে বৈধ ডেলিভারিতে ছক্কা। তৃতীয় বৈধ বলে একটি সিঙ্গেল। স্ট্রাইকে এবার কার্টার। তার ব্যাট থেকে আসে টানা তিন বলে ছক্কা।
প্রথম ৯ ওভারে ৪২ রান দিয়েছিলেন লুডিক। শেষ ওভারের পর তার বোলিং ফিগার ১০-০-৮৫-১।

৫ উইকেটে ৯৫ রান থেকে শেষ পর্যন্ত নর্দান ডিস্ট্রিক্টস তোলে ৫০ ওভারে ৩১৩ রান। ৭৭ বলে ১০২ রান করেন কার্টার, ৬৬ বলে ৯৫ হ্যাম্পটন। পরে ম্যাচটি জিতেছে নর্দানরাই, ২৫ রানে।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এক ওভারে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান ৩৭। গত জানুয়ারিতে কেপটাউনে সাউথ আফ্রিকার ঘরোয়া ওয়ানডেতে এডি লির এক ওভারে ৩৬ রান নেন জেপি ডুমিনি, নো বল থেকে আসে আরও এক রান।
হ্যাম্পটন ও কার্টার মিলে বুধবার লুডিকের ওভারে ছক্কা মেরেছেন ছয়টি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেট ওভারে ছয় ছক্কা দেখল মাত্র দ্বিতীয়বার। আগেরটি ছিল ২০০৭ বিশ্বকাপে; নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ওভারে ছয় ছক্কা মেরেছিলেন সাউথ আফ্রিকার ওপেনার হার্শেল গিবস।
২০০৯-১০ মৌসুমে ভারতের কেরালা ও হায়দরাবাদ ম্যাচে বোলার দ্বারকা রবি তেজার ওভারে ৩৫ রান নিয়েছিলেন রইফি গোমেজ।








