একের পর এক হত্যাকাণ্ডের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে বলে মনে করেন ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়োদোঁ।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংগঠন ফিক্কি’র মাসিক ভোজ সভার মূল বক্তা মায়োদোঁ ইউরোপের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্ক উন্নয়ন ইস্যুতে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যে পাল্লা ভারী বাংলাদেশের দিকেই। ইউরোপের প্রায় আড়াই বিলিয়ন ইউরোর বিপরীতে বাংলাদেশের রপ্তানি ১৫ বিলিয়ন ইউরোর বেশি।
পিয়েরে মায়োদোঁ বলেন, এদেশে বিদেশি বিনিয়োগ দুই বিলিয়ন ইউরোর, যার সাড়ে ২১ শতাংশই ইউরোপের। এই বিনিয়োগ বাড়ানো উচিত। তবে সুশাসন, দুর্নীতি, পরিচ্ছন্নতা, জবাবদিহিতা না থাকলে বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করা কঠিন। তাছাড়া বিদেশি হত্যার পর একের পর এক হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। বিনিয়োগকারীরা এগুলোও বিবেচনায় রাখে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রায় ষোলো কোটি মানুষের তুলনায় বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ নাম মাত্র।
“ইউরোপের দেশগুলোর সঙ্গে ‘মুক্ত বাণিজ্য চু্ক্তি’তে আসতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র আনা উচিত। শুধু তৈরি পোশাকে আটকে থাকলে চলবে না। বাংলাদেশের উচিত তৈরি পোশাকের বাইরে ঔষুধ, চামড়া ও পাট শিল্পকে গড়ে তোলা।”
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প আরও অনেকদূর এগুবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, এখন সময় বাংলাদেশের বাণিজ্যে বৈচিত্র আনা।










