অভিযোগের বিষয়ে একমত না হলেও ২০১৬ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের কারণে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা বিলে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বুধবার হোয়াইট হাউসে নিষেধাজ্ঞা বিলে স্বাক্ষর করেন তিনি। সেখানে রাশিয়া ছাড়াও ইরান এবং নর্থ কোরিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
তবে রাশিয়া তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ প্রথম থেকেই নাকচ করে আসছিলো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও রাশিয়ার সঙ্গে গোপনে আঁতাতের কথা বরাবরই অস্বীকার করে আসছিলেন।
এই নিষেধাজ্ঞা বিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বিদের সঙ্গে বৈরিতা আরো বাড়বে বলে মনে করেন ট্রাম্প। কংগ্রেসকে অভিযুক্ত করে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে ব্যাপকভাবে সমালোনা করে বিলটি পাস করে হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয় যা সাংবিধানিক লংঘনের সমান।
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, নানা বিপত্তি থাকা সত্ত্বেও আমি আমেরিকানদের জাতীয় স্বার্থে বিলটিতে সই করেছি। তবে রাশিয়া আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে কী কাজ করে তা আমেরিকানরা দেখতে চায়।
তিনি বলেন, অামি অনেক বড় বড় বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি তৈরি করেছি। আমি প্রেসিডেন্ট হিসেবে কংগ্রেসের চেয়ে কূটনৈতিক ব্যাপারে বেশি কাজ করতে পারি। তারা দীর্ঘ সাত বছর আলোচনার করার পরও স্বাস্থ্য নীতিতে সমঝোতায় আসতে পারেনি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরোধিতার মুখেও রাশিয়ার উপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে বিল পাস হয়। ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান দলের সদস্যরা এতে সমর্থন দিলে ৪১৯-৩ ভোটে বিলটি পাস হয়। এছাড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর কারণে ইরান এবং নর্থ কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপেও মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যরা একমত হন।
গত ডিসেম্বরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হ্যাকিংয়ের অভিযোগে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ৩৫ রুশ কূটনীতিককে আমেরিকা থেকে বহিস্কার করেন। আর বিলটি পাস হওয়ার পর রাশিয়ায় কর্মরত যুক্তরাষ্ট্রের ৭৫৫ জন কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।







