আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদের মৃত্যু সংবাদে তার অতীত বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে। খবরগুলোতে তার সেনা প্রধান থেকে রাষ্ট্রপতি হওয়া ও গণঅভ্যুত্থানে পদত্যাগে বাধ্য হওয়াসহ তুলে ধরা হয়েছে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার মতো বিভিন্ন বিষয়।
ওই খবরগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলছে:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় এরশাদ পাকিস্তানে অবস্থান করছিলেন।
- দেশে ফেরার পর তিনি মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন।
- জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতাসীন হওয়ার পর তিনি সেনাপ্রধান হয়েছেন।
- জিয়া হত্যাকাণ্ডে নেপথ্যে থেকে এরশাদের কোনো ভূমিকা ছিল কিনা এ নিয়ে অনেকের মধ্যে প্রশ্ন আছে।
- বিচারপতি সাত্তারের সির্বাচিত সরকারকে উচ্ছেদ করে তিনি দেশে সামরিক শাসন জারি করেছেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তন এনে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করেছেন এরশাদ।
- জিয়ার মতো তিনিও ক্ষমতায় থেকে রাজনৈতিক দল গঠন করে দেশ পরিচালনা করেছেন।
- তার বিরুদ্ধে গড়ে উঠা আন্দোলন তিনি রক্তাক্ত পথে দমন করে নিজেকে একনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।
- তিনি একইসঙ্গে ছিলেন কবি।
- প্রবল গণ-আন্দোলনে শেষ পর্যন্ত তিনি ক্ষমতায় থাকতে পারেননি। তবে এরশাদ মনে করতেন, কবির মতো হৃদয় নিয়ে দেশ পরিচালনা করার জন্যই তিনি ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে পারেননি।
- ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর কারাগারে থেকেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- তাকে নিয়ে বাংলাদেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মধ্যেই এক ধরনের টানাটানি ছিল। এরশাদ কখনও এদিকে কখনও ওদিকে গিয়েছেন।
- ক্ষমতার ভেতরে এবং বাইরে দু’ জায়গায় থেকেই ৩৭ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ধরনের ফ্যাক্টরের ভূমিকা পালন করেছেন এরশাদ।








