জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ এবং তথ্য ও প্রযুক্তিতে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের ‘আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ বাংলাদেশের জনগণকে উৎসর্গ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন ‘এই অর্জনের দাবিদার বাংলাদেশের মানুষ’।
সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ-প্রকৃতি ও জলবায়ু সচেতনতা এবং ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রযুক্তির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, টেকসই উন্নয়নে পরিবেশ-প্রকৃতি সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। প্রকৃতি-পরিবেশ সমুন্নত রেখে নগরায়ণ করতে হবে। নদ-নদীর প্রবাহ ও নাব্যতা বজায় রাখতে হবে।
পাশাপাশি আধুনিক কৃষি ব্যবস্থায় গবেষণা করে খাদ্য উৎপাদন, আমিষের চাহিদা পূরণ করে জনগণের পুষ্টির যোগান নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য ‘আইসিটি সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়িত হলে প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ উন্নত জীবন পাবে’।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ গড়বো। বিশ্বসভায় বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে বসবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ হবে, বাংলার মানুষ উন্নত জীবন পাবে। দেশের জন্য যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে আমি প্রস্তুত আছি’।
গণসংবর্ধনায় ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও নতুন প্রজন্মের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রতিজ্ঞা করেন প্রধানমন্ত্রী।
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে এই নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এমপি, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন প্রমুখ।






