অস্ট্রেলিয়া সফরে শতভাগ সাফল্য নিয়ে ফিরেছে বিসিবির হাই-পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। ডারউইনে নর্দান টেরিটরি আমন্ত্রিত একাদশের সঙ্গে পাঁচ ওয়ানডে, একমাত্র তিনদিনের ম্যাচের সবকটিতেই জয় পেয়েছে বিজয়-লিটনরা। শিষ্যদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট সিমন হেলমট। ভবিষ্যতে এই দলটা থেকে কয়েকজনকে জাতীয় দলে দেখতে চান এই অস্ট্রেলিয়ান কোচ।
মিরপুরে মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে হেলমট বললেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সফর দুর্দান্ত ছিল। আমরা ভালো কিছু পারফরম্যান্স দেখেছি। বড় কথা হল, ক্রিকেটারদের কার কোথায় উন্নতি দরকার সেটি এখন বুঝতে পারছি। আশা করি, কিছু খেলোয়াড়কে আগামীতে জাতীয় দলের জন্য তৈরি করতে পারব।’
অনুশীলন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ম্যাচ খেলতে অস্ট্রেলিয়া যায় ১৬ সদস্যের এইচপি দল। দলে তরুণদের সঙ্গে ছিলেন টাইগার জার্সিতে খেলা কয়েকজন ক্রিকেটারও। তারা দলে ফেরার পালে হাওয়া দিয়ে এসেছেন ভিন্ন কন্ডিশনে সক্ষমতা দেখিয়ে।
জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াডে থাকা এনামুল হক বিজয়, লিটন দাস, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আবুল হাসান রাজু, তানবীর হায়দার ভালো করেছেন। জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে এমনদের মধ্যে ভালো করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, আবু হায়দার রনি। ইরফান শুক্কুর, ইয়াসির আলি চৌধুরী, আবু জায়েদ রাহিরাও একেবারে খারাপ করেননি।

এদের মধ্যে আলাদা করে কিছু পারফরম্যান্স কোচের চোখে লেগেছে। সেগুলো উল্লেখ করে হেলমট বললেন, ‘শান্ত, সাইফউদ্দিন ও ইরফান- এই তিন তরুণ সেঞ্চুরি পেয়েছে। তারা সেখানে দারুণ করেছে। তানবীর একটা ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়েছে। আরও কিছু নজরকাড়া পারফরম্যান্স ছিল। জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, আমাদের লক্ষ্য ছিল ভিন্ন কন্ডিশনে অপরিচিত খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলে সব ফরম্যাটের জন্য স্কিলের উন্নতি করা।’
হেলমটের আসল কাজ শুরু হবে সামনে। কার কী ত্রুটি রয়েছে সেটি শোধরানোর জন্য কাজ শুরু করবেন তিনি। জোর দেবেন ফিটনেস ও ফিল্ডিংয়ের উপর। হেলমট বললেন, ‘আমার মনে হয় ওরা ফিটনেস ও ফিল্ডিংয়ে উন্নতি ঘটাতে পারে। ওভারের পর ওভার বল করার মতো শারীরিক সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। ব্যাটসম্যানদের শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হতে হবে।’










