ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের পর শুরু হবে এইচপি (হাই-পারফরম্যান্স) কার্যক্রম। নতুন মৌসুমের এ কার্যক্রমকে আরও কার্যকরী ও বিশেষায়িত করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এইচপি চেয়ারম্যান নাঈমুর রহমান দুর্জয় জানিয়েছেন, বিসিবি একাডেমি দল কিংবা বাংলাদেশ ‘এ’ দলের সঙ্গে এবার কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না। একেবারেই পৃথক কর্মসূচি হিসেবে পরিচালিত হবে এইচপি ক্যাম্প।
শনিবার বিসিবি কার্যালয়ে এইচপি ক্যাম্পের রূপরেখা কেমন হবে, তা নিয়ে সভা করেছে বিসিবির এইচপি বিভাগ। পরে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈমুর রহমান জানালেন, ১৮মে শুরু হবে কার্যক্রম। পরিচালিত হবে অস্ট্রেলিয়ান কোচ সায়মন হেলমটের অধীনেই। ক্যাম্পে থাকবে ২৪-২৫ ক্রিকেটার।
‘আমরা ১৮মে শুরু করতে যাচ্ছি, কারণ প্রিমিয়ার লিগের কারণে এখন করা সম্ভব না। লিগ শেষ হলে খেলোয়াড়দের রেস্ট অ্যান্ড রিকভারি ব্রেকের পর ১৮মে থেকে শুরু করার পরিকল্পনা করছি। খেলোয়াড়ের সংখ্যাটা ২৪-২৫, এরকম হবে। কারণ এইচপি’র ম্যাচ খেলার প্রয়োজন হয়, যেন দুইটা টিম করে বিভক্ত হয়ে অনুশীলন করা যায়। বেশি অপশনের জন্য ২৪-২৫ জন রাখা হচ্ছে।’
‘একাডেমি আর এইচপি কিন্তু আলাদা। এবার আমরা বয়স বেধে দিয়ে এইচপিকে এইচপির মতো করে পরিচালনা করব। আমরা বয়সের কথা চিন্তা করেছি ২৩। যেহেতু ইমার্জিং কাপ নিয়মিত হয়, সেটাকে বিবেচনা করে অনূর্ধ্ব-২৩ এর মতো করে আমরা সাজাচ্ছি।’ -বললেন নাঈমুর।
এইচপি দল বিদেশি দলের সঙ্গে সিরিজ খেলার সুযোগ পাবে, এমনটি নিশ্চিত করে নাঈমুর রহমান জানালেন, ‘আমাদের একটা সীমাবদ্ধতা ছিল গতবার। এইচপিকে কেউ ট্যুর দিচ্ছিল না, অথবা ‘এ’ টিমের সঙ্গে মিল ছিল না। এবার যেহেতু দুইটা জায়গাতেই সমস্যা সমাধান হয়েছে, যেমন শ্রীলঙ্কা আমাদের ট্যুর করতে রাজি হয়েছে। গতবার যেটা রাজি হচ্ছিল না বা ওদের আর্থিক কিছু জটিলতা থাকায় আমরা সেটা করতে পারিনি।’
‘যেহেতু এইচপির জন্য আমরা পৃথক প্রোগ্রাম পেয়েছি, সেহেতু আমাদের ‘এ’ টিমের সাথে যুক্ত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা নেই। আমাদের এখান থেকে ‘এ’ টিমের প্রয়োজন হয় বা ‘এ’ টিমে যাওয়ার মতো খেলোয়াড় থাকে তাহলে যেতে পারবে। তবে এইচপি’র প্রোগ্রামটা আমাদের জন্য এইচপির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।’









