শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজে জায়গা না পাওয়া উইকেটরক্ষক ব্যাটার ঋদ্ধিমান সাহাকে একজন সাংবাদিক হোয়াটসঅ্যাপে হুমকি দিয়েছেন। সাংবাদিককে ইন্টারভিউ দিতে না চাওয়ার পর হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে ঋদ্ধিমানের কাছে ব্যাখ্যা চাইবে বলে জানিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
এরপর হুমকি পাওয়া সেই বার্তার স্ক্রিনশট ঋদ্ধিমান টুইটারে প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটে আমার সব অবদানের পরেও একজন তথাকথিত ‘সম্মানিত’ সাংবাদিকের কাছ থেকে আমি এটার (হুমকি) মুখোমুখি! সাংবাদিকতা এমন পর্যায়ে চলে গেছে।’
হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করা বার্তায় দেখা যায় ঋদ্ধিমানকে সেই সাংবাদিক লিখেছিল, ‘তুমি আমাকে কল করোনি। আমি তোমাকে আর ইন্টারভিউ করবো না। আমি অপমান সহজভাবে নেই না। এটা আমি মনে রাখবো।’
গণমাধ্যমকে বিসিসিআইয়ের কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমাল বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমরা ঋদ্ধিমানকে তার টুইট সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব এবং আসল ঘটনাটি কী ঘটেছে। তাকে হুমকি দেয়া হয়েছিল কি না এবং তার টুইটের প্রেক্ষাপট এবং প্রসঙ্গও আমাদের জানতে হবে। আমি এর বেশি কিছু বলতে পারব না। সচিব (জয় শাহ) অবশ্যই ঋদ্ধিমানের সঙ্গে কথা বলবেন।’
৩৭ বছর বয়সী ক্রিকেটারের টুইটের পর রবি শাস্ত্রী, হরভজন সিং এবং বীরেন্দ্র শেবাগের মতো বেশ কয়েকজন সাবেক খেলোয়াড় এবং কোচ তার প্রতি সমর্থন করেছেন। একইসঙ্গে তাকে হুমকি দেয়া সাংবাদিকের নাম প্রকাশ করার আহ্বানও জানিয়েছিলেন।
ভারতের হয়ে ৪০ টেস্ট খেলা ঋদ্ধিমানকে সাউথ আফ্রিকা সফরের পর হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় বলেছিলেন, তার দল এগিয়ে যাবে। তিনি নিজের ক্যারিয়ার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে পারো।
এরপর ঋদ্ধিমান তাকে দলে না রাখা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের ভূমিকা নিয়ে। ঋদ্ধির কথায় দুঃখ না পেয়ে অবশ্য দ্রাবিড় খোলাসা করেছেন দলে না রাখার কারণ।
‘সত্যি বলতে ঋদ্ধির কথায় মোটেও আহত নই। তার কৃতিত্ব ও ভারতের ক্রিকেটে তার অর্জনের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। আমার মনে হয়েছে দলে সততা ও স্বচ্ছতা আনা প্রয়োজন। তাই, তার সাথে কথা বলেছি। দল নির্বাচন করার আগে সবার সাথে কথা বলি। আশাও করি না যে তারা সবসময় আমার কথার সাথে একমত হবে।’
ঋদ্ধিমান আরও দাবি করেছিলেন যে, বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী তাকে টেক্সট করে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, যতক্ষণ না তিনি বিষয়টি পরিচালনা করছেন তিনি কখনোই দল থেকে বাদ পড়বেন না।








