দক্ষিণের উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে শুরু হয়ে গেছে ইউনিয়ন পরিষদ। নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে নৌকা ও ধানের শীষের লড়াই।
একদিকে চলছে প্রচারণা, অন্যদিকে প্রতিদিনই বাড়ছে সংঘর্ষের ঘটনা। নির্বাচনের শুরুতেই এই ধরণের সংঘর্ষে শঙ্কিত ভোটাররা ভোট দিতে যাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন।
বরিশাল অঞ্চলের ৬টি জেলার ২৭০টি ইউনিয়নে নির্বাচন হবে ২২ মার্চ। এর মধ্যে লোহালিয়া নদীর তীরে রূপালি ইলিশের শহর পটুয়াখালীর ৫০টি ইউনিয়নে চলছে নৌকা-ধানের শীষের প্রতীক যুদ্ধ। এই জেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীরা রয়েছেন।
পটুয়াখালী শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের ইউনিয়ন ছোট বিঘাই, এই ইউনিয়নে নৌকা-ধানের শীষের পাশাপাশি সরব স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।
আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ভরসা, দলের উন্নয়নই তার বিজয়ের পথকে সুগম করবে। এলাকায় বিএনপির কোনো অস্তিত্ব নেই বলে দাবি তার।
অন্যদিকে এই ইউনিয়নে প্রায় ৩১ বছর ধরে শাসন করছে বিএনপি। এবারও দলীয় প্রতীকে বিএনপির প্রার্থী শিউলি বেগম। তবে মজার বিষয় তার স্বামীও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন।
তবে ইতোমধ্যেই এই অঞ্চলে নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয়ে গেছে সংঘর্ষ। ভোটাররা ভোট দিতে যাবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে তাদের মনে।
পটুয়াখালী অঞ্চলে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৫৬ জন। প্রতিদিনই এলাকায় নির্বাচনকে ঘিরে সংঘর্ষ হওয়ায় প্রার্থীরা সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ দাবি করছেন।






