ভাগ্যের সন্ধানে খাবার এবং পানি ছাড়া সাগরে ভাসতে ভাসতে মালয়েশিয়ায় উদ্ধার ৭০০ বাংলাদেশীকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এজন্য আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম মালয়েশিয়ার কাছে সেখানে বাংলাদেশ হাইকমিশন সহায়তা চেয়েছে বলে জানিয়েছে আইওএম বাংলাদেশ।
ঢাকায় অাইওএম কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সেখানে আশ্রয় পাওয়া মোট ৭০০ বাংলাদেশীকে চিহ্নিত করেছে। তবে মালয়েশিয়ার আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ওই বাংলাদেশীদের পরিচয় আরো নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছে হাইকমিশন যাতে বাংলাদেশের নাগরিক নন এমন কেউ তালিকায় ঢুকে না পড়েন।
অাইওএম সূত্রগুলো জানায়, কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনুরোধ অনুযায়ী সোমবার থেকে আইওএম মালয়েশিয়া উদ্ধার বাংলাদেশীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে তালিকা প্রণয়নসহ সব ধরণের প্রক্রিয়া শুরু করবে।
তবে তাদের দেশে আনার খরচ কে বহন করবে সেটা এখনো ঠিক হয়নি।
ঢাকায় অাইওএম কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অতীতে এরকম ঘটনায় সরকার এবং অাইওএম, দু’ পক্ষেরই খরচ বহনের অভিজ্ঞতা আছে।
পাচারকারীদের খপ্পড়ে পড়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সাগরে অাটকে পড়া মানুষদের জন্য এরইমধ্যে এক মিলিয়ন ডলার সহায়তা ঘোষণা করেছে আইওএম।
থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়ার সাগরে ছয়টি নৌকায় এখনো ছয় হাজার মানুষ ভাসছে বলে আইওএম ধারণা করছে। তাদের মানবিক সহায়তা, ত্রাণ, চিকিতসা, যারা দেশে ফিরতে চান তাদের দেশে প্রত্যাবর্তন এবং অন্যদের পুনর্বাসনে ওই এক মিলিয়ন ডলার খরচ করা হবে।
পাশাপাশি শরণার্থীদের সব ধরনের সহায়তার জন্যও সরকারগুলোর কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন আইওএম মহাপরিচালক উইলিয়াম ল্যাসি।






